রসগোল্লা বাংলাতেই থাকবে, আগেই জানিয়ে দিয়েছিল পাভেল!

“কে দেবে রসের খবর ?
এই মনের তৃপ্তি রসে।
রস মানে রসগোল্লা,
আমরা সেই রসের বশে।”

রসগোল্লা কার ? উত্তর খুঁজতে গিয়ে সে কি ঝামেলা। আস্ত একটি রসগোল্লা নিয়ে শুরু হয়েছিলো টানাটানি। একপ্রান্তে টান মারছিলো উড়িষ্যা তবুও দড়ির অন্যপ্রান্তটা শক্ত করেই চেপে রেখেছিলো বাংলা। সাত কান্ড রামায়ণের পর ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এলো। থুড়ি! ছেলে না, ঘরের মিষ্টি ফিরে এলো ঘরে। অর্থাৎ রসগোল্লার পেটেন্ট এখন বাংলার হাতে।

রসগোল্লা আর বাঙালি, যেন একে অপরের পরিপূরক। বাঙালির আনন্দ তো আর মনে ধরে না। এতোদিন ধরে ডেঙ্গুর মশার যে বাড় বেড়েছিলো রসগোল্লার রসে তাদেরও ভবলীলা সাঙ্গ। বাঙালির সাথে রসগোল্লার সম্পর্ক তো আজকের নয় ? তাই অনেক দিন আগে থেকেই পরিচালক পাভেল শুরু করে দিয়েছিলেন ‘রসগোল্লা’কে ঘিরে বেড়ে ওঠা বাঙালিদের সম্পর্কের গল্প নিয়ে স্ক্রিপ্ট লেখার কাজ, ‘উইন্ডোজ প্রোডাকশন’র স্রষ্টা নন্দিতা রায় এবং শিবপ্রসাদ মূখার্জী’র পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালক পাভেল সামনে আনতে চলেছেন বহুপ্রতীক্ষিত এই ছবি, চলতি বছরে না হলেও আগামী বছরে নিশ্চিত ভাবে রসগোল্লার রসে টলমল খাবে বড়ো পর্দা।। ছবিটির স্বাদ যতটা না মিষ্টি, তাঁর চেয়েও বেশি মিষ্টি ছবিটির নাম। পাভেল সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখার সময়ই একরকম নিশ্চিত ছিলেন রসগোল্লা বাংলাতেই থাকবে আর হয়েছেও তাই!

‘রসগোল্লা’ নামেই বাঙালির মুখে জল আনবে নন্দিতা রায় এবং শিবপ্রসাদ মূখার্জী’র পরবর্তী নিবেদন। ‘উইন্ডোজ প্রোডাকশন’ ছাড়াও ‘রসগোল্লা’র প্রযোজনার দায়িত্বে থাকছেন অতনু রায়চৌধুরী। রসগোল্লার রসের দায়ে এমনিতেই জিভের জল আটকে রাখা দায় হয়ে দাড়িয়েছিলো বাঙালির কাছে। তারওপর আবার সিনেমাতেও রসগোল্লার ডেবিউ’র পর বাঙালির লোভ কোথায় গিয়ে থামবে তা ভবিষ্যৎ’ই বলবে।