Home ফিরে দেখা মনে আছে "বা" কে?
দেবরাজ

কোথায় নীরবে আছেন দেবরাজ রায় ?

কলকাতা দূরদর্শনে আশির থেকে নব্বই দশক সন্ধ্যে সাতটার সংবাদ পড়া সংবাদ পাঠক ভদ্রলোকটির মতো অমন জামাই কেউ বা অমন ছেলে চেয়েছেন। তখন তো একটাই...
Mohamed Aziz

“শেষ গান নয় আজ গেয়ে যাব জীবনের এই জয়গান” ..

মহঃ আজিজ। যেন বাংলার মহঃ রফি। আবার বোম্বেরও রফি কন্ঠী শিষ্য যেন তিনি ছিলেন। আশির দশকে বাংলা হিন্দি ছবির সুপারহিট গানের গায়ক যিনি। রফির...
চিনুর

“বৈজয়ন্তীমালার খাজুরাহসম কটিদেশ স্পর্শ করতে চেয়েছিলাম।” – চিন্ময় রায় !

ইন্ডাস্ট্রির চিনু, কারো আবার চিনুদা, উত্তম কুমার যাকে বলতেন রোগা ছেলেটা কিংবা বৈজয়ন্তীমালা যাকে বলেছিলেন সিলি বয়। ডট পেন দেখেছেন? নিজের চেহারাকে ডট পেনের...

মনে আছে “বা” কে?

সুধা শিবপুরি (14 July 1937 – 20 May 2015) । স্নেহময়ী মাতৃমূর্তি। দিদা ঠাকুমা প্রপিতামহী প্রমাতামহী সবার কাছেই যিনি ছিলেন আপন। বাড়ির বট গাছ। সেই ‘কিউকি সাঁস ভি বহু থি’ র বা। আসল নাম সুধা শিবপুরী। কিউকি দিয়ে উনি সবার কাছে পরিচিত দশ পনেরো বছর পেরিয়েও। কিন্তু শুরুটা করেছিলেন অনেক আগে।রাজস্থানের মেয়ে। স্কুলে পড়াকালীন পিতৃবিয়োগ হওয়ায় নাটক থিয়েটারে যোগ দেন সংসার চালাতে। 1968 এ বিবাহ। দিল্লী নাট্যজগতে নাটক চালিয়ে যান।স্বামীও বিখ্যাত নাট্যাভিনেতা ওম শিবপুরি। ঠিক পথে চালিত হওয়ায় সুধার জীবনের দিশা খুঁজে পান। নিজেদের নাট্যদল ‘দিশান্তর’ শুরু করেন।ছবিতে অভিনয় জীবনের শুরু সত্তর দশকে। চলে আসেন বোম্বে অর্থাৎ মুম্বাই।চরিত্রাভিনেত্রী হয়েই অনেক বিখ্যাত ছবি করেছেন।

স্বামী (1977) , আজীব দাস্তান (1978), ইনসাফ কা তারাজু (1980), হামারি বহু অলকা (1982) , আদাত সে মজবুর (1982) , বিধাতা (1982) , হাম দোনো (1985) , মায়া মেমসাব (1993) শাবানা আজমি থেকে শাহরুখ খান সবার সঙ্গেই অভিনয় করেছেন সুধাজী। সিনেমা থেকে বিরতি নেন সুধা দেবী। চলে আসেন সিরিয়ালে। প্রিয়া তেন্ডুলকার অভিনীত বিখ্যাত ধারাবাহিক ‘রজনী’ তে শাশুড়ির ভূমিকায় অভিনয় করেন।1990 তে স্বামীবিয়োগ। আঁকড়ে ধরেন আরো অভিনয়কেই। কিন্তু ওনার আইকনিক হিট মেগা সিরিয়াল হল 2001 এ ‘কিউকি সাঁস ভি বহু থি’। যা ওনাকে রাতারাতি সারা ভারতের মা ঠাকুমা বানিয়ে দেয়। তুলসী কিংবা সবিতা বহু সবাইকে সংস্কার দিয়ে গেছেন তিনি সিরিয়াল জুড়ে। পাশে দাঁড়িয়েছেন দুঃসময়ে। পূজাপাঠেও বা। এমনকি সিরিয়ালের টি আর পি ধরে রাখতে শততম বছরের বেশী বয়সী বা কে দেখানো হয়।যেটাও আজও আইকনিক ঘটনা। পেয়েছেন সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কার থেকে স্টার পরিবার পুরস্কার। শেষ ছবি করেন ‘পিঞ্জর’।বা কিছু বছর প্রয়াত। এক কন্যা ও এক পুত্র। কিন্তু ঐ হাসি মাখা স্নেহময়ী মুখ যা দেখে রোজ ঘুমোতে যেত ভারতবাসী সেই মুখ সেই হাসি অমলিন রয়ে যাবে।

লেখা শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

এনা

MUST READ

মহালয়ার সেরা পাঁচ ‘ মহিষাসুরমর্দিনী ‘

আকাশবাণী কলকাতার 'মহিষাসুরমর্দিনী 'র পর টেলিভিশনে 'মহিষাসুরমর্দিনী' সবার কাছেই ভালোবাসার। কিন্তু এখন অনেক চ্যানেল হওয়া সত্ত্বেও টিভির মহালয়া দর্শকের বিরক্তি উদ্রেক করে। সেই মেগার...

পুজোর সেরা পুরুষ কে ? এবার পুজোয় অভিনব উৎসব !

পুরুষ। পুরুষ যেন পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা। নারী দিবস নিয়ে হৈচৈ। নারী দিবসের দরকার তো আছেই কিন্তু পুরুষ দিবস কবে কোনদিন আমরা কজন জানি?...

এবার মহালয়াতেই অকাল বোধন !

দেবী দুর্গার ত্রিনয়ন, যার জ্যোতিতে আলোকিত বিশ্ব। সৃষ্ট প্রাণ। আমরা দেবী দুর্গাকে চোখে দেখিনি দেখিনা। কিন্তু দুর্গা মানে এক শক্তি। নারী শক্তি। ধরিত্রীতে সকল...

নটবর ১০০তেও নটআউট !

বাবা সতু রায় ছিলেন নির্বাক যুগের বিখ্যাত অভিনেতা। কিন্তু তাতে ছেলের বিশেষ কিছু সুবিধে হয়নি। তাঁর জন্ম বরিশালে। বাবা পরে চলে আসেন কলকাতায়। শেষে...