Home ফিরে দেখা আর্ট ফিল্মবোদ্ধাদের কাছে উত্তমকুমারের জনপ্রিয়তা ছিল অসহ্য !
অপরাজিতা

“আমার ছবি, আমি তোকে বাদ দিতেই পারি!” ঋতুপর্ণ বলেছিলেন অপরাজিতাকে !

"- ও তোমার কদর করতে পারবে ?" "- বাবু, কদর তো কত লোক করে বল... ভালোবাসার সাহস কতজনের আছে বল তো ? " এই বিখ্যাত দৃশ্যে...
লিপ

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া ভুল গানে লিপ দিয়েছিলেন সুচিত্রা সেন ! এও কি সম্ভব ?

"গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু আজ স্বপ্ন ছড়াতে চায় হৃদয় ভরাতে চায়।। মিতা মোর কাকলী কুহু সুর শুধু যে ঝরাতে চায় আবেশ ছড়াতে চায় প্রাণে মোর ... " অগ্নিপরীক্ষা দিয়েই...

ঋতুপর্ণের সঙ্গে ওপারে গিয়ে হয়তো জোর ঝগড়া হবে তুই তোকারি করে !

শেষ তাঁকে দেখা গিয়েছিল রাখী বন্ধন সিরিয়ালে। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেল এক বছর। রিতা দি নেই। প্রয়াত অভিনেত্রী রীতা কয়রালের প্রয়াণ বার্ষিকী আজ।...

আর্ট ফিল্মবোদ্ধাদের কাছে উত্তমকুমারের জনপ্রিয়তা ছিল অসহ্য !

চল্লিশ বছর হয়ে গেল তিনি নেই কিন্তু আজও তিনি আছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। আজও পূরণ হয়নি তাঁর ছেড়ে যাওয়া সিংহাসন। তিনি উত্তম কুমার।উত্তম কুমারকে নিয়ে বিশ্লেষণ করলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তম কুমার মানেই চিত্তবিনোদনকারী ছবি। তিনি আবার আর্ট ফিল্মে চলেন নাকি। এমনও বলেছেন এক পরিচালক “উত্তম ঠোঁটে লিপস্টিক দেওয়া নায়ক, আবার ছবিতে চলবেনা।’ অথচ উক্ত পরিচালকের শুরুর ছবিটাই ছিল উত্তম অভিনীত।শর্মিলা ঠাকুর বলে বসলেন “মাণিকদার ছবিতে কাজ করে উত্তম কুমার নিজের অভিনয় ধারা পাল্টাতে শিখলেন। মাণিকদা উত্তম কুমারকে অভিনয় করা শেখালো।”শিল্পী, পরিচালকদের চেয়ে আর্ট ফিল্ম বোদ্ধাদের কাছে যারা বিশেষত সত্যজিৎ মৃণাল ছবির ফ্যান তাঁরা কোনদিনই উত্তমের জনপ্রিয়তা মেনে নিতে পারেননি। আজও পারেননা ।তাঁদের সেই ধারা বজায় রেখে চলেছে আজও কিছু ফিল্মবোদ্ধা।

ফিল্মবোদ্ধা কথাটা কি আত্মপ্রচার? ফিল্মলাভার নন কেন তাঁরা?

তাঁদের কাছে সত্যজিতের ছবি নিঁখুত উত্তমের কাজ। ভাগ্যিস করলেন উত্তম। নয়তো সুচিত্রা সেনের মতো সত্যজিৎ র ছবি না করায় অভিনয় পারেননা শুনতে হত। ‘দীপ জ্বেলে যাই’ এর শেষ দৃশ্যের রাধা হতে জানিনা আর কোন অভিনেত্রী পারতেন। ওয়াহিদা রহমান স্বীকার করেছেন ‘দশবার দেখেও সুচিত্রা সেনের মতো পারিনি করতে হিন্দিতে।’তাহলে ‘খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ থেকে কৃষেন্দু হয়ে অগ্নীশ্বর এই সফরে উত্তমের কি নিঁখুত অভিনয় নেই? নাকি উত্তম সাফল্য সহ্য না করতে পেরে এই বিষোদগার। মাণিকবাবুই যদি উত্তমকে এক্টিং শেখাবেন তাহলে অজয় কর,অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় রা কি করলেন?কেন এই বিভাজন? একজনকে তুলতে অপরকে ছোটো করা? উত্তম কুমার একসময় অবধি আর্ট ফিল্মে বিশ্বাসী ছিলেননা। পার্থপ্রতিম চৌধুরীর ‘যদু বংশ’ করতে গিয়ে নিজের মত পাল্টান। যাতে অবদান ছিল সুপ্রিয়া দেবীর। নন-মেক আপ লুকে ‘যদু বংশ’ তে প্রথম অভিনয় করেন উত্তম।নায়ক রোম্যান্টিক সত্ত্বায় আঘাত পড়বে ভেবেই করতেন নাহ। কিন্তু যখন উত্তম সুচিত্রা জুটির রঙ ফিকে হয়ে আসতে থাকল, বয়স বাড়তে লাগল বয়স পঞ্চাশ পেরনোর আগেই নিজেকে চেঞ্জ করেন উত্তম। এই সাহসিকতা অধ্যাবসায় উত্তম কুমারের কৃত্বিত্ব। যদিও আগে ভূতনাথের চরিত্র করে আইকনিক উত্তম।

সত্যজিৎ উত্তমকে অভিনয় শেখাবার অনেক আগেই উত্তম কুমার ‘সাহেব বিবি গোলাম’ , ‘হারানো সুর’, ‘মরুতীর্থ হিংলাজ’,বিচারক’ করে ফেলেছেন। এই মূলধারার নায়ক নায়িকাদের অভিনয় নিয়ে আঁতেল সমাজের বিদ্রুপ এগুলো কিন্তু মিডিয়া মেড , আঁতেল দর্শক দের রচিত, সত্যজিৎ ফ্যানদের সৃষ্ট।

একটা গল্প বললেই বুঝতে পারবেন সত্যজিৎ রায় এ হেন অভদ্র লোক ছিলেন নাহ। আর এই গল্পর থেকেই বুঝবেন সত্যজিৎ ছাড়াই উত্তম কুমার সুপারস্টার হন। তখন সত্যজিৎ রায় “নায়ক” ছবির চিত্রনাট্য লিখছিলেন দার্জিলিং এ বসে। বন্ধু তপন সিনহাকে একদিন জিজ্ঞেস করলেন “কাকে নেওয়া যায় বলুন তো? আমার এই ছবিতে? তপন সিনহা বললেন “আপনি নিশ্চয়ই কাউকে ভেবেছেন? সত্যজিৎ রায় বললেন “উত্তম”।

তপন সিনহা বললেন “ও ছাড়া কেউ নেই যে এই চরিত্রের ধারে কাছে আসতে পারে। একদম পারফেক্ট চয়েস।”

MUST READ

মহালয়ার সেরা পাঁচ ‘ মহিষাসুরমর্দিনী ‘

আকাশবাণী কলকাতার 'মহিষাসুরমর্দিনী 'র পর টেলিভিশনে 'মহিষাসুরমর্দিনী' সবার কাছেই ভালোবাসার। কিন্তু এখন অনেক চ্যানেল হওয়া সত্ত্বেও টিভির মহালয়া দর্শকের বিরক্তি উদ্রেক করে। সেই মেগার...

পুজোর সেরা পুরুষ কে ? এবার পুজোয় অভিনব উৎসব !

পুরুষ। পুরুষ যেন পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা। নারী দিবস নিয়ে হৈচৈ। নারী দিবসের দরকার তো আছেই কিন্তু পুরুষ দিবস কবে কোনদিন আমরা কজন জানি?...

এবার মহালয়াতেই অকাল বোধন !

দেবী দুর্গার ত্রিনয়ন, যার জ্যোতিতে আলোকিত বিশ্ব। সৃষ্ট প্রাণ। আমরা দেবী দুর্গাকে চোখে দেখিনি দেখিনা। কিন্তু দুর্গা মানে এক শক্তি। নারী শক্তি। ধরিত্রীতে সকল...

নটবর ১০০তেও নটআউট !

বাবা সতু রায় ছিলেন নির্বাক যুগের বিখ্যাত অভিনেতা। কিন্তু তাতে ছেলের বিশেষ কিছু সুবিধে হয়নি। তাঁর জন্ম বরিশালে। বাবা পরে চলে আসেন কলকাতায়। শেষে...