আজকাল জীবনের টাইমলাইনে কি মিশে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া ?

সম্পর্কের

রিচালক হিসেবে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করেই জিতে নিয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার। তসলিমা নাসরিন এর মত ব্যক্তিত্বের জীবনের কিছু অংশকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন তার প্রথম ছবি ‘নির্বাসিত’তে। বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম পরিচিত পরিচালক অভিনেতা চূর্ণী গাঙ্গুলী আবারও একটি বাংলা ছবি নিয়ে আসতে চলেছেন দর্শকদের সামনে, ছবির নাম ‘তারিখ‘। ছবির অবলম্বন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। এই ছবির মধ্য দিয়ে পরিচালক তুলে ধরতে চাইছে কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়া কয়েকটি ইনডিভিজ্যুয়াল এর জীবনে প্রভাব বিস্তার করে। তিনটি চরিত্রের আনাগোনা কেন্দ্রিক হতে চলেছে ছবিটি। চরিত্রগুলিতে রয়েছেন শ্বাশত চ্যাটার্জী, রাইমা সেন ও ঋত্বিক চক্রবর্তী। পরিচালক চূর্ণী গাঙ্গুলী তার এই সিনেমা সম্পর্কে জানাচ্ছেন, “সম্পর্কের বন্ধন, জীবনের জটিল সমীকরণ, মানুষের উচ্চাশা, অধরা স্বপ্ন ইত্যাদি কিভাবে বদলে দেয় চেনা ছকের খেলাগুলোকে, তাই দেখাবে ‘তারিখ’। এইসব তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে আজকালের আন্তর্জাতিক দুনিয়ার গন্ডিগুলো।”

সম্প্রতি মুক্তি পেল ছবির ট্রেলার। ২মিনিট ৬ সেকেন্ড এর ট্রেলার দেখে আপাতভাবে ছবিটিকে থ্রিলার বলেই মনে হল। ছবির সংলাপ অন্তত সেই কথাই বলে৷ ট্রেলারের প্রথম সংলাপ, “যারা গেল, তার তো গেল। বাট যারা সারভাইভ করল, বাড়ির লোক, দ্যট ফর মি ইজ রিয়েল স্টোরি।” এরই সাথে দেখা যাচ্ছে একটি ট্রেন থেকে পাশের একটি ট্রেনের দ্রুতগতিতে চলে যাওয়ার দৃশ্য। শহুরে মায়াবী আলোয় ছুটে চলা কিছু যানবাহন, হাসিখুশি পরিবারের মুহূর্তগুলো ক্যামেরা বন্দি করা, তরুণের দৃপ্ত কন্ঠে নৃশংসতা, যুদ্ধ, রেভোলিউশনের কথা সবটা জুড়ে একটা অ্যাবসার্ড ভাব আছে অবশ্যই। একাকীত্ব, মনস্তত্ত্ব, ভাবনা, রোমাঞ্চ সব যেন মিলেমিশে একাকার ট্রেলারের সবটা জুড়ে। ট্রেলারের শেষের সংলাপ, “আগ্নেয়গিরি এক্সটিংক্ট ও হয়, ডরমেন্ট ও হয়, তারপর হঠাৎই একদিন ইরাপ্ট করে ” রোমাঞ্চকর ভাবটিকে আরো রোমহষর্ক করে তোলে। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর রাজা নারায়ণ দেবের। ছবিতে গান ও মিউজিকের ব্যবহার যথোপযুক্ত বলেই মনে হল ট্রেলারটি দেখে। এখন ১২ এপ্রিলের অপেক্ষা ‘তারিখ‘ এর সব রহস্য সমাধানের জন্য।