সিনেমার ইতিহাসে ফ্লপ হয়ে যাওয়া পাঁচটি বিখ্যাত সিনেমা !

ইতিহাসে ফ্লপ সিনেমা

সাধারনত বক্সঅফিসে সফল সিনেমাগুলোকে ভালো সিনেমা বলে ধরা হয়। কিন্তু ইতিহাসে এমন অনেক বিখ্যাত সিনেমা আছে যারা পরে অত্যন্ত হিট হয় সিডি বা টিভির মাধ্যমে। কিন্তু হলে যখন এসেছিল তখন দর্শকের মন যোগাতে পারেনি, ফ্লপ হয়। অনেক সময় যুগের থেকে অনেকটা এগিয়েও ছিল। আজ তেমনই সেরা পাঁচ মুভি নিয়ে আলোচনা করবো।

চিল্ড্রেন অফ মেন৫. চিল্ড্রেন অফ মেন (২০০৬) – গ্রাভিটিখ্যাত আল্ফেন্সো কুয়ারনের এই সিনেমার বাজেট ছিল ৭৫ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু আয় হয় মাত্র ৩৫ মিলিয়ন। ২০২৭ এর পর সবাই বন্ধ্যা হয়ে যাবে এই ছিল সিনেমার বিষয়। সাই ফাই এই সিনেমাটি না চললেও সিডি বিক্রি হয় ব্যাপক। ২৫মিলিয়ন সিডি বিক্রি থেকে আয় হয়। মাত্র একটা অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিল এই অসাধারণ সিনেমাটি।

ব্লেড রানার (১৯৮২)৪. ব্লেড রানার (১৯৮২) – সর্বকালের অন্যতম সেরা সাই ফাই সিনেমার মধ্যে পড়ে ব্লেড রানার। আঠাশ মিলিয়নের ছবি তেত্রিশ মিলিয়ন আয় করে। এক পুলিশ অফিসারকে নিয়ে তৈরি এই ঘটনার মূল চরিত্রে আছেন হ্যারিসন ফোর্ড। দ্য থিং, স্টার ট্রেক আর ইটির মাঝে রিডলে স্কটের এই অসাধারণ সিনেমাটি হারিয়ে যায়। নব্বই এর দশকে ক্যাসেটের মাধ্যমে সিনেমাটি প্রচুর দর্শক ফিরে পায়।

 ডনি ডার্কো (২০০১)৩. ডনি ডার্কো (২০০১) – রিচার্ড কেলির এই সিনেমাটা একটা টাইম ট্রাভেল নিয়ে। কিন্তু প্লট অত্যন্ত জটিল হওয়ার কারনে অনেক দর্শকই বুঝতে পারেনি সিনেমাটা। জ্যাক গ্যালেনহ্যালের এই সিনেমাটা ৩.৫মিলিয়নে বানানো হলেও আয় হয়েছিল মাত্র ১.২ মিলিয়ন।

 ফাইট ক্লাব (১৯৯৯)২. ফাইট ক্লাব (১৯৯৯) – সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ফাইট ক্লাবও একটি অত্যন্ত জটিল সিনেমা। ভোগবাদী সমাজের বিরুদ্ধে সিনেমাটা বানান ডেভিড ফিঞ্চার। ৩৭ মিলিয়নের সিনেমা মাত্র ১৭ মিলিয়ন আয় করে। কিন্তু ডিভিডি ক্যাসেট প্রায় দেড় কোটি বিক্রি হয় এবং ১০০মিলিয়ন আয় করে ফেলে এই ক্লাসিক সিনেমাটি।

শাওশাঙ্ক রিডেম্পশন (১৯৯৪)১. শাওশাঙ্ক রিডেম্পশন (১৯৯৪) – এই সিনেমাটার নাম কেউ শোনেনি বা দেখেনি এমন লোক পাওয়া দুষ্কর৷ সর্বকালের সেরা সিনেমা বলে থাকে অনেকে এটাকে। আই এম ডি বির সেরা রেটিং পাওয়া সিনেনা এখনো অবধি এটাই। ফ্রাংক ডারাবন্ডের এই সিনেমা ২৫ মিলিয়ন লাভ করলেও জনপ্রিয়তা পায় সিডি বিক্রির পর থেকে। হলে সিনেমাটা ফ্লপ ছিল। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যা ভাবাই যায় না!