স্যাক্রেড গেমস কি পাল্টে দিচ্ছে ভারতীয় ওয়েব সিরিজ ?

স্যাক্রেড

জ থেকে আট নয় বছর আগে চালু হয়েছিল গেম অফ থ্রোন্স৷ পাশ্চাত্যে যৌনতা মাখামাখি টিভি সিরিজ চালু হয়েছে তখন ভারতবর্ষ হাত কামড়াচ্ছে! সব তো ফেঁসে আছে ওই সেন্সর বোর্ডেই। নেট সুলভ হওয়ার পর থেকে ওয়েব সিরিজ যখন ভারতে আসলো তখন এখানকার প্রোডিউসার, পরিচালকরা পেয়ে গেলে যৌনতার অবাধ সার্টিফিকেট। কারণ নেট সেন্সরবোর্ডের হাতে নেই। নেটফ্লিক্সে চালু হল অনুরাগ কাশ্যপের ‘স্যাক্রেড গেমস‘। ক্রাইম আর যৌনতার মিশেলে মাখামাখি ককটেল ভারতীয়রা গোগ্রাসে খেল। এই গোগ্রাসে খাওয়াটাকেই হাতিয়ার করলো অন্য প্রযোজনা সংস্থা। স্যাক্রেড গেমসে অনেক ভালো কাহিনী এবং পরিচালনা ছিল কিন্তু পরবর্তী সিরিজ গুলো যেন যৌনতা, অশ্লীল বাক্য আর ক্রাইমকেই ঘুটি বানালো। আমাজন প্রাইম বানালো ‘মির্জাপুর‘। যেটা কোনভাবেই স্যাক্রেড গেমসের ধারে কাছে নয়৷ শুধু যৌনতা আর স্লাং দিয়ে বৈতরনী পার। অল্ট বালাজি ‘অপহরণ‘ সিরিজ বার করলো। কাহিনীর দিক দিয়ে মোটামুটি চলেই যায়৷ কিন্তু অকারণ অশ্লীল শব্দের বহুল ব্যবহার সিরিজটার ওজন কমিয়ে দেয়। বাংলা ইন্ড্রাস্ট্রিতেও এর ঢেউ আছড়ে পড়লো ‘হইচই‘তে। ‘ধানবাদ ব্লুজ‘ এও অবাধ যৌনতা ও কয়লা মাফিয়াদের ক্রাইম নিয়ে কাহিনী এগিয়েছে। কাহিনীর অভিনবত্ব একটু থাকলেও খুঁটি সেই যৌনতা-অশ্লীল শব্দ আর ক্রাইম। ট্রেন্ডটি আপাতত দর্শক খাচ্ছে। কিন্তু কদিন খাবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।