গেম অফ থ্রোন্সের ইতিকথা। পর্ব ২ !

সংকেত

নেক চেষ্টা করেও রাজী করাতে পারলেন না বেনিওফ আর ওয়েস জুটি। বইয়ের কোন অংশ বাদ দেবেন না প্রতিশ্রুতি দিয়েও মার্টিন গোঁ ধরে বসে থাকেন। হঠাৎ মার্টিন জিজ্ঞেস করে উঠলো জন স্নোর মা কে? দুজনেই এর সঠিক উত্তর দিতেই রাজী হন জর্জ৷ এরপর শুরু হল চিত্রনাট্য লেখার পালা। ২০০৮ সাল নাগাদ একটা পাইলট সংস্করণ বানিয়ে এইচ বি ওর কাছে জমা দেন বেনিওফ৷ কিন্তু সেটা অতিমাত্রায় জঘন্য ছিল। বেনিওফ – ওয়েস নিজের বন্ধুদের ডেকে এনে সেটা দেখালেও কেউ ভালো বললো না সেটা। সেটা দেখার পর এইচ বি ও ভাবনা চিন্তা শুরু করে সিরিজটা আদৌ বানাবে কিনা। তারা চার মাস সময় দেয় পরিচালকদ্বয়কে। বেনিওফের কথায়, ওটা ছিল জীবনের দীর্ঘ চারমাস। ভাবছিলাম এত পরিশ্রম সব কি জলে যাবে?

অবশেষে এইচ বি ও একটা সংকেত দিল। তাদের ভাবটা ছিল এমন, কম বাজেটে একটা বানাও। যদি খারাপ হয় তো বন্ধ হয়ে যাবে। ২০১১ সালে কিন্তু প্রথম এপিসোডের পর থেকেই দর্শক সংখ্যা ২.২ মিলিয়নে চলে যায়। আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাদের। সাথে সাথেই তারা দ্বিতীয় সিজনের ভাবনা চিন্তা শুরু করে দেয়।

আট বছরের মহাকাব্যিক অভিযানের পর অন্তিম সিজন শুরু হয়েছে গেম অফ থ্রোন্সের৷ বছর তিনেক আগে এইচবিওর প্রেসিডেন্ট কেসি ব্লয়েজ বলেছিলেন, “সম্ভব হলে আমি আরো অন্তত ১০টা সিজন বানাতাম।” তবে তা তো আর সম্ভব নয়। তাই অষ্টম সিজনেই পর্দা নামবে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় কালচারাল ফেনোমেননের।