আপনাদের পরিচিত এই ডাক্তারবাবু এবার পরিচালক!

হাতেখড়ি মানেই তার নেপথ্যে “ক খ গ ঘ” থাকা ভীষণ আবশ্যিক। সেটা ছোটবেলার বর্ণপরিচয়’ও হতে পারে অথবা সাবালক জীবনের প্রথম পরিচালনা। যদি উদাহরণ চান তাহলে পরিচালক কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জী’র গল্প একেবারেই আদর্শ।

মেডিক্যাল স্টুডেন্ট কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জী। চিকিৎসা বিদ্যায় নিপুণ হাত। তবুও দিনের শেষে হাঁক দিলে একজন লেখক’কেই খুজে পান তিনি। টান আছে সিনেমার ওপরেও। কিন্তু লোকে কি বলবে ? ডাক্তারি ছেড়ে সিনেমা ? কে কি বলবে তাতে কান না দিয়েই মেডিক্যাল স্টুডেন্টের প্রথম আত্মপ্রকাশ টেলিভিশন দুনিয়ায়। নবাগত কৃষ্ণেন্দু বেছে নেন ছোট পর্দাকেই। কিন্তু আকাশ ছুঁতে গেলে জীবনে রিস্ক নিতেই হবে। অর্থাৎ নাম লেখাতে বড়ো পর্দায়। এবং সেই রিস্ক’টাও নিয়ে ফেললেন তিনি। হাতেখড়ি নিলেন বড়োপর্দায়। নেপথ্যে রইলো “ক খ গ ঘ”। এটাই তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবির নাম।

ভিড়ে একদিন নিজেকে হারিয়ে ফেলা ছেলেটি আজ নিজেই ভিড় সৃষ্টির অন্যতম কারণ। মা-বাবা’র দেওয়া প্রতিটি কথায় কাজে লেগে গেছে। তাই আজ মেডিক্যাল স্টুডেন্ট কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জী একজন পরিচালক। এরকম গোছেরই আরও একটি গল্প দেখা যাবে তাঁর ছবিতেও। পরোক্ষ ভাবে নিজের গল্পকেই ছবির প্রেক্ষাপট বানিয়ে দিয়েছেন কৃষ্ণেন্দু। তবে এখানে চারজন নায়ক। কল্যাণ, খরাজ, গণেশ এবং ঘণ্টা।

মজার ব্যাপার এটাই যে, চার চরিত্রের প্রথম অক্ষর গুলি মিলিয়ে দেখুন, যেটি আসবে সেটাই এই ছবির নাম। অর্থাৎ “ক খ গ ঘ”। কৃষ্ণেন্দু’র মতোই এই চারজনের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা বলবে এই ছবি। কাস্টিংয়েও থাকছে গোটা কয়েক পরিচিত মুখ। কৌশিক গাঙ্গুলী থেকে শুরু করে মীর, অপরাজিতা আঢ্য, সমদর্শী দত্ত, ইমন চক্রবর্তী, সৌরভ দাস এবং সায়ন প্রায় সকলেই ভিড় জমিয়েছেন এখানে। ডাক্তারি হাতের ছোটপর্দার কাজ তো দর্শকরা আগেই দেখেছেন। এবার বড়ো পর্দার জন্য কোন ট্রিটমেন্ট বেছে নেবেন তিনি সেটাই দেখার পালা।