হারানো ছবির গল্প !

একই অঙ্গে এত রূপ 1965

রিচালক হরিসাধন দাশগুপ্তর বাংলা ছবিতে অবদান একদম অনালোচিত। চলচ্চিত্রকার হিসেবে তাঁর সবচেয়ে আলোচিত ছবি সুচিত্রা – উত্তম অভিনীত ‘কমললতা‘। খুবই গুণী মানুষ। কিন্তু মেঘে ঢাকা তারা হয়ে রয়ে গেছেন। তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবেই বেশি পরিচিত। আলাউদ্দিন খাঁর “মাইহার ব্যান্ড ” নিয়ে তথ্যচিত্র, ‘কোনারক’ ‘টাটা স্টিল’ তথ্যচিত্রগুলি তাঁর খুব বিখ্যাত। আজ বলব একটি অচেনা লুপ্ত হারিয়ে যাওয়া ছবির কথা।

একই অঙ্গে এত রূপ

1965 তে মুক্তিপ্রাপ্ত অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তর কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত পরিচালক হরিসাধন দাশগুপ্ত পরিচালিত একটি স্বল্প আলোচিত ছবি। ছবিটির সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন আলি আকবর খাঁ।সহযোগী যন্ত্রশিল্পী ছিলেন নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়, আশিস খাঁ, ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য এবং অলোক দে। নেপথ্য কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী ছিলেন প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুমিত্রা সেন। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মাধবী মুখোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বসন্ত চৌধুরী, সুমিতা সান্যাল, শেখর চট্টোপাধ্যায প্রমুখ। ছবিটি আর পাওয়া যায়না। প্রিন্ট পাওয়া যায়না। এডিনবার্গ ফিল্ম ফে স্টিভাল থেকে ‘একই অঙ্গে এত রূপ‘ পুরস্কৃত হয়। মান্না দে র জনপ্রিয় গান ‘একই অঙ্গে এত রূপ‘ গানটি অনেকে ভাবেন এই ছবির। যেটা একদমই ভুল। মান্না দে ‘একই অঙ্গে এত রূপ’ ছবিতে কোনো গানই গাননি। ওটি আধুনিক গান। ‘একই অঙ্গে এত রূপ‘ ছায়াছবির কিছু দুস্প্রাপ্য ছবি পাঠক পাঠিকাদের জন্য। আরেকটু জেনে রাখুন এ প্রজন্মের বন্ধুরা এই হরিসাধন দাশগুপ্তই হলেন এ যুগের পরিচালক বিরশা দাশগুপ্তর ঠার্কুদা। হরিসাধন দাশগুপ্ত তাঁর পুত্র রাজা দাশগুপ্ত ও তাঁর দুই পুত্র … তিন পরিচালক প্রজন্ম।