“আমি যদি ওনাদের জায়গায় থাকতাম, কোনদিনও এটা করতাম না!”- একতা ভট্টাচার্য।

একটি মেয়ে স্বপ্ন দেখেছিল নিজের চিন্তা-ভাবনা, শৈল্পিক সত্ত্বা দিয়ে মন জয় করবেন বাঙালির, নিজের কাজকে সিনেমা, বই বা নাটকের পোস্টার, কভারে জ্বলজ্বল করবে ডিজাইনার হিসেবে থাকবে নিজের নাম। ব্যারাকপুর থেকে উঠে এসে দৌড় শুরু হয় সেই স্বপ্ন সফল করতে, আজকে এই ‘উত্তম কুমার’ বলতে অজ্ঞান মেয়েটির ঝুলিতে ৬০০’র উপর প্রোজেক্টে লিখিয়ে ফেলেছে নিজের নাম, হাতে একগাদা কাজের ব্যস্ততা সঙ্গে নিয়ে তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে ভীষণ পরিচিত মুখ, একতা ভট্টাচার্য এই স্বপ্নের দৌড়ে যেমন এসেছে অনেক ভালোলাগার মুহূর্ত তেমনই এসেছে অনেক মন খারাপের মুহূর্ত…আর এই সব মুহূর্তগুলোকে যেন সাজিয়ে দিলেন আমাদের সাক্ষাৎকারে…

ট্যালেন্ট হটাৎ করে কথা বলে না, সেটা ছোটবেলা থেকেই মানুষের ভেতরে থাকে, তোমার ক্ষেত্রে সেই রিয়েলাইজেশনটা কিভাবে হয়েছিল?

একতা- ছোটবেলা থেকেই আঁকতে ভীষণ ভালবাসতাম। পড়াশোনার ফাঁকে আঁকা নিয়েই থাকতাম। ছোটবেলা থেকেই একটা প্যাশন ছিল আঁকার প্রতি, কিন্তু সেভাবে কনভেনশনাল পেয়ন্টার হতে চাইনি। যেহেতু ফিল্ম অ্যান্ড নাটকের প্রতি প্যাশনেট ছিলাম নিজের আঁকাটাকে এই ফিল্ডের সাথে কানেক্ট করতে চেয়েছিলাম। সত্যজিৎ রায়ের ইলাস্ট্রেশনের খুব ফ্যান ছিলাম। উনি তো সবকিছুই হাতে এঁকে করতেন সেটা ক্যালিগ্রাফি হোক কি ফিল্মের পোস্টার। সেই গুলো দেখে ভীষণ ভাবে ইন্সপায়ারড হয়েছিলাম, ভেবেছিলাম যদি এইভাবে কাজটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, কোনোদিন যদি সুযোগ পাই আবার ওই মিডিয়ামটাকে রিভাইভ করার, সেই জন্য নিজের মধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কোনদিনই গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজে পড়াশোনা করিনি। ছোটবেলায় স্কুলের ড্রয়িং টিচারের কাছে যেতাম তবে আঁকার বেসিক যেটা সেটা আমাকে বাবা-মা’ই শিখিয়েছিলেন।

কোনদিন যে আর্ট কলেজে পড়নি, প্রথম থেকেই কি সচেতন ছিলে যে সফল হতে গেলে শুধু শিল্প দিয়ে পেটের ভাত জোগাড় হবে না?

একতা- প্রত্যেক বাবা-মা’ই চান তার সন্তানের ভবিষ্যত যেন একটু সিক্যুয়র হয়, মাস গেলে যেন ফিক্সড মাইনে আসে। তাই চিরকালই একটা দ্বিধা ছিল, বাবা-মা’কে বলতে পারিনি যে আর্ট কলেজে পড়ব। তিনটে সমস্যার কথা অনেকেই বলেছিল যখন কাজ শুরু করি, এক আমি মেয়ে দুই মফঃস্বলে থাকি আর তিন ইন্ডাস্ট্রিতে কোন গডফাদার নেই, কিন্তু আমি প্রথমদিন থেকেই বিশ্বাসী ছিলাম যে কাজটা সৎভাবে করতে পারলে এইগুলো সফল হওয়ার রাস্তায় আসবে না..

লাইফে প্রথম টার্নিং পয়েন্টটা কিভাবে এল?

একতা- আমার এক বন্ধু মাস কমিউনিকেশন নিয়ে পড়ত, ওদের প্রচুর শর্ট ফিল্মস বানাতে হত। ওর এক ছবির জন্যই আঁকা পাঠয়েছিলাম, পছন্দ হলে পোস্টার হিসাবে ব্যবহার করতে বলেছিলাম। তারপর হঠাৎ দেখি ফেসবুকে একগাদা নোটিফিকেশন। আমাকে না জানিয়ে পোস্টারটা লঞ্চ করে দিয়েছিল। লোকে প্রচুর প্রশংসা করতে শুরু করে। এই জিনিস গুলো ভীষণ লোভ লাগে, মানুষ প্রশংসার প্রতি লোভী হয়ে পড়ে। ওই পোস্টারটা ফেমাস হয়ে যেতেই আস্তে আস্তে কাজ আসতে থাকল।

সাফল্যের সাথে সাথে অহংকারটাও কি আসে? তোমার কি মনে হয়?

একতা- অহংকার করার মতো আমি এখনও কিছু করিনি। কিছু করলেও হয়তো অহংকারটা আসবে না। আমার মনে হয় যারা অহংকারী তারা খুব বোকা হয়। তারা মানুষকে নিজের থেকে দূরে ঠেলে দেয়। আর আমি মানুষের মধ্যে থাকতে পছন্দ করি। যত মানুষের মধ্যে থাকবে তত লোনলিনেস বা ডিপ্রেশন যেগুলোকে আমি খুব ভয় পাই, এগুলোর থেকে অনেক দূরে থাকবে।

তবে ডিপ্রেশনে ভয় পাওটাকে কি ভাবে ইগনোর কর?

একতা- আমি কখনও ডিপ্রেশনে ভুগি না কারণ আমার প্রচুর অ্যাকটিভিটিস থাকে, এপার্ট ফ্রম মাই ওয়ার্ক। সময় পেলেই নিজের জন্য আঁকি। ভীষণ ভাবে বই, সিনেমা, গান নিয়ে থাকি।

 

তাহলে কি একজন আর্টিস্টের নিজস্ব কোয়ালিটি টাইম থাকাটা খুব প্রয়োজন?

একতা- একটু তো দরকারই ভাবনা চিন্তার জন্য। ভাবনা চিন্তা না থাকলে কাজ করা খুব মুশকিল, সব কাজ এক টাইপের হয়ে যাবে।

ফার্স্ট লাইম লাইট পেয়েছিল কোন কাজটা?

একতা- গ্র্যাজুয়েশনের পর এম.বি.এ পড়তে যাওয়ার জন্য কলকাতা ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তখন ইন্ডাস্ট্রির একজনের সাথেই রেগুলার ফেসবুকে কথা হত তিনি ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়। তিনি হঠাৎ করে বললেন, “তুমি যেও না, তুমি লম্বা রেসের ঘোড়া। যেটা করছ সেটাই করে যাও, অনেক দূর যাবে”। দ্যট ওয়াজ অ্য বিগ সাপোর্ট ফর মি। ওই একটা সেনটেন্স! ইট চেইঞ্জড মাই এন্টায়র কোর্স অফ লাইফ। ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়ের নাটকের দলের পঁচিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে নাটকের পোস্টার করতে দেন। ওই প্রথম কোনও বড় নাটকের দলের সাথে কাজ করা শুরু। সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমি অল ইন্ডিয়ায় ২৮টা নাটকের দলের সাথে কাজ করেছি।

জোকারের একটা বিখ্যাত প্রবাদ আছে ‘ইফ ইউ আর গুড অ্যাট সামথিং, নেভার ডু ইট ফর ফ্রি’। এরম ফ্রিতে কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে বা এখনও আসে কি?

একতা- আমি যখন কাজ শুরু করেছিলাম প্রথম ত্রিশ, চল্লিশটা কাজ বোধহয় ফ্রিতেই ছিল, কেউ পয়সা দেয়নি। এর মধ্যে অনেক সেলিব্রিটিও আছে যারা বলে আমরা টাকা ছাড়া কাজ করাই না, তারাই বেশি করে দেয়নি। আমার প্রজেক্ট কমপ্লিট করতে যে পরিশ্রম হয় তার থেকে ডবল পরিশ্রম হয় টাকাটা পেতে।

“বুম্বা শট রেডি”, ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলার সিনেপ্রেমীদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটা বই, তার কভার ডিজাইন তোমার, কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা?

একতা- গৌতম স্যার (সাংবাদিক এবং সহ লেখক) আর আমি যখন আলোচনা করছিলাম কভার নিয়ে তখন উনি একটা পয়েন্ট বলেছিলেন যে প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি’র ইমেজ বা পার্সোনাটা যেন ফুটে ওঠে। এটা লার্জার দেন লাইফ হওয়াটা দরকার তাই একটা রয়েল টাচ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অসম্ভব ভালো একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে মানুষটির সাথে কাজ করে। উনি এমন একজন মানুষ যিনি সাফ্যলের শীর্ষে পৌঁছেও কিভাবে এত হাম্বল থাকতে পারেন সেটা কাছ থেকে দেখার এবং শেখার সুযোগ পেয়েছি। কিভাবে সকল কলাকুশলীকে সমানভাবে সম্মান করতে হয় সেটা যেকোন মানুষ ওনার থেকে শিখতে পারেন। “ময়ূরাক্ষী” এবং “বুম্বা শট রেডি”র সাকসেস পার্টি একসাথে হয়ছিল, অনেক গুণী মানুষরা উপস্থিত ছিলেন, সেখানে উনি মঞ্চে ডেকে সংবর্ধনা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন,” বাচ্চা মেয়েটা খুব ভালো কাজ করছে, আপনারা আশীর্বাদ করবেন”…এই মুহূর্তটা কোনদিন ভুলতে পারব না!

কিন্তু সম্প্রতি “সমান্তরাল”র প্রিমিয়ারের শেষে বা কিছু নাটক “ঘাসীরাম কোতোয়াল”, “ডন” এর শো’র কার্টেন কলে সবাইকে ডাকা হলেও ডিজাইনারের নামটা ভুলে যাওয়া হয়, স্টেজে ডাকা হয় না! এটা একজন শিল্পী হিসেবে কিভাবে দেখো?

একতা- (স্মিত হেসে) ওনারা নিশ্চয়ই মনে করেন অন্যান্য বিভাগগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাই হয়তো ডাকেন নি! আমি যদি ওনাদের জায়গায় থাকতাম, কোনদিনও এটা করতাম না। আমার মনে হয় একটা প্রজেক্টের সমস্ত শিল্পীকে সমান মর্যাদা দেওয়া উচিৎ। সে তো অনেক বড় বড় পত্রিকা ২,৩ ঘণ্টার সাক্ষাৎকার নিয়ে আর রিলিজ করে নি, আমিও কোনদিন ফোন করে কাউকে বলি না, “আমার ইন্টারভিউটার কি হল গো?” বা “আপনি তো নিজে ডেকেই ইন্টারভিউটা নিলেন” ইত্যাদি…

কারণটা কি ছিল?

একতা- (একটু ভেবে) একজন সাংবাদিক বলেছিলেন যে “উঠতি তারকা” বিভাগে দিতে পারব না কারণ আমি কলকাতার কোন প্রথম সারির স্কুলে পড়াশুনো করি নি! সেদিনও মুচকি হেসে বলেছিলাম,”ঠিক আছে কোন অসুবিধে নেই!” আজও এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে মনে মনে বলি, ঠিক আছে অসুবিধে নেই কারণ এরকম জিনিস যত হবে আমার মনের জোর ততই বাড়বে আর আমি ভালো কাজ করার চেষ্টা করব! এসব জিনিস কোনদিনই আমার মনোবল ভাঙতে পারবে না।

লোকে তোমার কাজ নিয়ে কনস্টাকট্রিভ বা ডেস্টাকট্রিভ বিভিন্ন রকম সমালোচনাই করে। কি ভাবে দেখো এই ব্যপারটা?

একতা- সমালোচনা সবার শুনি, কিন্তু সমালোচনা করার তো একটা স্টাইল থাকে। সবকিছুই কিন্তু পৃথিবীতে একটা আর্ট । যারা একটু জেনে শুনে সমালচনা করছে বা আমার ভালো চেয়ে করছে তাদের কথা বলার ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা হয় এবং সেটা আমি কথা শুনেই বুঝতে পারি। আমি কন্সট্রাকটিভ ক্রিটিসিজমে বিশ্বাস করি।

দিয়াগো মারাদোনার কলকাতায় আসার জন্য প্রথম যখন পোস্টার করার অনুরোধ আসে, কেমন ছিল সেই মুহূর্তটা?

একতা- প্রথম কিছু সময় আমি বাকরুদ্ধ ছিলাম কিন্তু তারপর আর এটা নিয়ে খুব একটা বেশি ভাবিনি কারণ আমার মনে হয় তাহলে কাজটার থেকে বেশি ওই মোমেন্ট গুলোকে প্রায়োরিটি দিয়ে ফেলব। খুশি তো ডেফিনিটলি হয়েছিলাম কিন্তু কাজটা আমার কাছে এতোটাই ইম্পরটেন্ট ছিল যে এগুলো নিয়ে ভাবতে পারি নি।

কিন্তু যখন কলকাতায় মারাদোনার ইভেন্টের ৬০/৩০ এর বড় একটা হোর্ডিং এ নিজের লোগো দেখছো তখন তো মনের মধ্যে একটা উন্মাদনা কাজ করেই…

একতা- আই অ্যম প্যাশনেট অ্যাবাউট স্পোর্টস অ্যান্ড দিয়াগো মারাদোনা ইজ মাই ফেভারিট ফুটবলার। তার একটা কিছু কলকাতায় হচ্ছে, যার স্কেচ আমি করেছি। লোগো তো এর আগে প্রচুর হোর্ডিং এ লেগেছে, বাট দিস ওয়াজ স্পেশাল। যখন আস্তে আস্তে শহরে পোস্টার লাগতে শুরু করল, একদিন পার্কসার্কাস দিয়ে যাচ্ছি, আমি গাড়িটা থামিয়ে দেখলাম কিছুক্ষণ, আমার চোখে জল এসে গেছিল! আগামী দিনে হয়তো অনেক ভালো কাজ আসবে কিন্তু এটা আমার জীবনে বড় প্রাপ্তি হিসেবে থেকেই যাবে…

ইন্ডাস্ট্রির অনেকের সাথেই তোমার সুসম্পর্ক, যারা ভালবাসেন বা স্নেহ করেন সেটা ঠিক কতটা জেনুইন?

একতা- আমার কাছে যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ ক্ষতি করছে না, এক্সেপ্ট দ্যাট হোয়াট এভার ইউ আর গেটিং, ইজ ‘জেনুইন’। ফরচুনেটলি আমি ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের থেকে যে ভালবাসাটা পাই বা প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের থেকে এনকারেজমেন্টটা পাই, তাছাড়া মীর’দা, সুজয়’দা, পরাণ জ্যেঠু, রুদ্রনীল’দা ছাড়া আরও অনেকেই আছেন যারা খুব সাপোর্ট করেন। রুদ্রনীল’দা প্রতিটা কাজ খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করে বলেন কোথায় কি ভুল আছে। উনি নিজেও একজন খুব ভালো প্যেন্টার যেটা অনেকেই জানেন না, আই অ্যাম থ্যঙ্কফুল যে উনি এই প্রোফেসেনে নেই (হাসি)।

লাইফে তোমার ক্রিটিক কারা?

একতা- কাজ করার পর আমি প্রথমে বাবা-মা আর অর্নেশের মতামত নিই, তারপর ইন্ডাস্ট্রিতে সাধারণত দুটো লোককেই পাঠাই আগে, রুদ্র’দা আর ইন্দ্রনীল’দা। এরা ভীষণ জেনুইন ফিডব্যাক দেয়, এরা বলে দেয় কোনটা ভালো কোনটা খারাপ, যেটা জীবনে খুব দরকার। জীবনে এমন মানুষ দরকার যারা তোমাকে সত্যি কথা বলবে কারণ আমি নিজেও জানি সব শিল্পীর সব কাজ ইকুয়ালি ভালো হয় না।

কাজ পাওয়ার জন্য কখনও কাউকে তোষামোদ করতে হয়েছে?

একতা- আই অ্যাম লাকি যে আমাকে আজ পর্যন্ত কাউকে কিছু বলতে হয়নি। আগামী দিনে হয়তো বলতে হতে পারে, যে এই কাজটার সাথে আমি যুক্ত হতে চাই। তবে আমি রামকমল মূখার্জীকে বলে রেখেছি যদি মিঠুন চক্রবর্তীর কখনও বায়োগ্রাফি বেরোয়, ওটার কভার ডিজাইন আমি করব (হাসি)। আই অ্যম অ্য হিউজ ফ্যান অফ মিঠুন চক্রবর্তী।

তাহলে কখনও কাউকে ওয়েলিং করতে হয়নি বলছ…

একতা- ওয়েলিং করতে আমি একদম পারিনা। আমার যদি কারোর ফিল্ম খারাপও লাগে আমি বলব না যে আমার খারাপ লেগেছে বরঞ্চ আমি কিছুই বলব না। কিন্তু যদি কারোর কোন কাজ ভালো লাগে আমি সেটা ফোন করেই জানাই।

একজন নিউকামারকে তাহলে বলতেই পারো যে ভালো কাজ করার জন্য কোনো ব্যাকপুশ এর দরকার হয়না…

একতা- সাপোর্টে অ্যাকচুয়েলি খুব একটা কাজ হয় না। নেপোটিজম, স্টার কিড বা রেকমেন্ডেশন এগুলো ফার্স্ট প্রজেক্টেই হেল্প করে, সেকেন্ড থেকে সবটা তোমাকেই করতে হবে। ট্যালেন্ট থাকলে এগুলোর কিছু দরকার পড়ে না।

বিয়ের আগে যেভাবে কাজ করছ, বিয়ের পর এত কিছু কিভাবে সামলাবে?

একতা- বিয়ে এখনও একটু দেরি আছে। দশ বছরের সম্পর্ক আমাদের, আর আমি ও অর্নেশ দুজনেই এখন প্রচন্ড ভাবে কেরিয়ার নিয়ে ভাবছি। আমাদের সারাদিনের ম্যক্সিমাম কথাই হয় কিভাবে কাজ নিয়ে এগোনো যায়, আরও ভালো কাজ করা যায়। ফিউচার নিয়ে ডেফিনিটলি আলোচনা হয়। আমার কাজের প্রথম দিন থেকে ও ভীষণ কনফিডেন্ট ছিল আমার ডিসিশন নিয়ে। সব সময়ই বলে যে কাজ যেন কোনও ভাবেই বন্ধ না হয়…

প্রশ্নের ওপারে- শুভদীপ কাজলী (এডিটর)।