প্রথম কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার নিতে চলেছেন কোনো বাঙালি মেয়ে। তাও ক্যামেরার কাজের জন্যে। সিনেমাটোগ্রাফিতে সামগ্রিকভাবে বিশেষ কৃতিত্বের সাক্ষর রাখার জন্য এনজেনেয়াক্স স্পেশাল এনকারেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দিয়ে কলকাতার মেয়ে মধুরা পালিতকে সম্মানিত করতে চলেছে কান কর্তৃপক্ষ। আঠাশ বছরের মধুরাই প্রথম ভারতীয় যিনি এই বিভাগে পুরস্কার পেলেন।
মধুরার বাবা মাও ফটোগ্রাফার তাই শৈশব থেকেই ক্যামেরা প্রেম। সেন্ট জ়েভিয়ার্সে র ছাত্রী হওয়াকালীন ক্যামেরা কে পাকাপাকি ক্যারিয়ার করবেন ভাবেন। প্রথমে সেন্ট জ়েভিয়ার্স, পরে এসআরএফটিআই (সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট)-এর প্রাক্তনী মধুরা। ‘দ্য পেপার বয়’ ছাড়াও তাঁর ‘ওয়াচমেকার’, ‘দ্য লাস্ট রেন’-এর মতো একাধিক ছবি সমালোচকমহলে প্রশংসিত। পুরুষ ক্যামেরাম্যানদের রাজত্বে এক ছোটোখাটো মেয়ের এই বিজয়ীনি হওয়া কুর্নিশযোগ্য।

মধুরার ছবিগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ‘ওয়াচমেকার’ (২০১৭), ‘আমি ও মনোহর’ (২০১৭), ‘সম্পূরক’ (২০১৮), ‘পেপার বয়’ (২০১৫) এবং একটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি শর্ট ফিল্ম, যা নতুনধারার কাজ। শুধু ডকু ছবি কি আর্ট ফিল্ম নয় বানিজ্যিক ছবিতেও কাজ করতে চান মধুরা। তাই তাঁর ক্যামেরার সামনে দেখতে চান মেয়েবেলার হার্টথ্রব হৃতিক রোশনকে। মে মাসেই তিনি ‘কানে’র উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন।


