রোম ও হ্যাবিট্যাট চলচ্চিত্র উৎসবে ‘আহা রে’।

রোম ও হ্যাবিট্যাট চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হল 'আহা রে'। প্রদর্শিত

জকাল বাংলা ছবির অনেক সংখ্যায় হল রিলিজ একটা মুশকিলের দিক। সিঙ্গেল প্লেক্স গুলোর দৈণ্যদশা আবার মাল্টিপ্লেক্সে কজন দেখেন আঞ্চলিক ছবি? অনেক শো অনেক হলই পায়না বাংলা ছবি নিজভূমেই। কিন্তু কিছু ছবি তার নিজ গুণে নিজ উৎকর্ষে নিজের জায়গা নিজের দর্শক লাভ করে নেয়। তেমনি একটি এ বছরের উল্লেখযোগ্য ছবি রঞ্জন ঘোষের ‘আহা রে‘। ছবিটা ফেব্রুয়ারী তে রিলিজ করেছিল এখনও নন্দন প্রেক্ষাগৃহে দশম সপ্তাহে হাউসফুল বোর্ড নিয়ে চলছে ছবিটি রমরমিয়ে। মাঝে এক সপ্তাহ নন্দন থেকে চলে গেলেও মফস্বলে আবার ফিরে আসে কলকাতার নন্দন সিনেমা হলে। যা খুব বিরল বাংলা ছবির ইতিহাসে। এতটাই দর্শকের চাহিদা এই ছবিটি নিয়ে। ছবির শ্রেষ্ঠাংশে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, আরফিন শুভ, পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, আলমগীর, অমৃতা ও শুভ্র। সম্প্রতি এই ছবি আনল আরো দুই চমক। রোমে প্রদর্শিত হল ‘আহা রে’। ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব রোম’ চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হল পরিচালক রঞ্জন ঘোষের ছবি ‘আহা রে’। ভারত থেকে নির্বাচিত আটটি ছবির মধ্যে সাতটি ছবিই হিন্দি। একমাত্র বাংলা ছবি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করল ‘আহা রে’। রোমে অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অন্যদিকে ১৪তম হ্যাবিট্যাট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ডোমেস্টিক প্রিমিয়ার হল ‘আহা রে’ সিনেমার। দিল্লীতে এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন খোদ পরিচালক রঞ্জন ঘোষ।

রোম ও হ্যাবিট্যাট চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হল 'আহা রে'।
দুটি অগ্রগন্য ফিল্ম উৎসবে ‘আহা রে’ স্থান পাওয়ায় পরিচালক রঞ্জন ও নায়িকা প্রযোজিকা ঋতুপর্ণা দুজনেই খুশী। রঞ্জন বললেন “ইন্ডিয়া হ্যাবিট্যাট সেন্টর আয়োজিত এই ফেস্টিভ্যাল ভারতে একটি অগ্রগণ্য সিনেমা উৎসব হিসেবে স্বীকৃত। সেখানে উপস্থিত থাকতে পেরে ভালো লাগছে। আর রোমে আমি যেতে না পারলেও আমার ছবিটা তো গেছে উপস্থিত থাকছে সেটাই আমার থাকা। তবু থাকতে পারলে ভালো লাগত বিশ্বের দরবারে।” হিন্দু-মুসলিমের প্রেম শুনলেই আমাদের মনে হয় খুব হিংস্র কিছু হতে চলেছে। কিন্তু কত কোমল ভাবে দুই ধর্মের প্রেম ও তার সমস্যা সমাধান করে এক নতুন দিগন্তের পথ দেখানো যায় তাই দেখিয়েছে এই ছবি। ‘আহা রে’ বাংলাদেশে মুক্তি পেলেও আরো সাফল্য লাভ করবে আরো দর্শক মনোগ্রাহী হবে সেটা বলাই যায়।

প্রতিবেদন লেখক – শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।