রানাঘাটের রাণু মন্ডল। হতদরিদ্র ভিখারিনী। অনাথা আত্মীয় পরিজনহীনা রাণু আজ প্রচারের শীর্ষে। লতাকন্ঠী রাণু মন্ডল রানাঘাটের স্টেশনে গান গেয়ে বেড়াত। ফেসবুকে ভাইরাল হয় তাঁর গান লতাকন্ঠে গান। রানুর গলায় গাওয়া ‘এক পেয়ার কা নগমা হ্যায়’ গানটি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে। সন্তোষ আনন্দের কথায় ও লক্ষ্মীকান্ত-পেয়ারেলাল জুটির সুরে, ১৯৭২ সালে ‘শোর’ ছবিতে এই গানটি গেয়েছিলেন লতাজী। তাঁর সঙ্গীত জীবনের সর্বাধিক জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে এই গানটিকে গণ্য করা হয়ে থাকে।আর সেখান থেকে সরাসরি জনপ্রিয় হয়ে হিমেশ রেশমিয়ার স্টুডিওতে। তার প্রথম প্ল্যাব্যাক হিমেশ রেশমিয়ার সুরে। এই রাণু মন্ডল এখন পাচ্ছেন সলমন খান সঞ্চালিত ‘বিগ বস’ শোয়ে প্রতিযোগিণী হবার অফার। এমনকি এ যুগের লতা বলা হচ্ছে রাণুকে।এমনকি লতাজী আর্শীবাদ করছেন রাণুকে এমন ফেক ছবি ভাইরাল নেটে। যার তীব্র প্রতিবাদ জানান লতা।
যাঁর গান গান গেয়ে নেটদুনিয়ায় বিখ্যাত হন এই রাণু মন্ডল সেই উৎস মা সরস্বতী লতা মঙ্গেশকর করলেন এক বিস্ফোরক মন্তব্য। বলা ভালো এই প্রচার সর্বস্ব যুগে যোগ্য যথাযথ পরামর্শ দিলেন লতা তাঈ। লতাজী বলেন ” নকলের স্হায়িত্ব বেশী দিন না। নকল করে বেশী দিন স্হায়ী হওয়া যায়না।হ্যাঁ কেউ যদি আমার গান গেয়ে লাভবান হয় তাহলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করব , কিন্তু আমার দেখার মধ্যে নকলের স্হায়িত্ব বেশীদিন নয়। অনেকেই তো আশা, কিশোর কুমার, মহম্মদ রফির গান করেছে কিন্তু কতজন অবশিষ্ট আছে? আমি তো শুধু সুনিধি ও শ্রেয়াকেই দেখতে পাই। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে গানের রিয়্যালিটি শো নিয়েও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন লতা। অনেক ছেলেমেয়েরাই এই সব শো’তে ভালো গাইছে কিন্তু আরেকটা শ্রেয়া ঘোষাল বা সুনিধি চৌহান উঠে আসছে না, বললেন কোকিল কন্ঠী লতা মঙ্গেশকর।
Written By - শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়


