“নিজেকে নিয়ে বানানো গল্প শুনতে বেশ মজা লাগে” – সাহেব ভট্টাচার্জ্য।

টলিপাড়ায় কান পাতলে কিন্তু এখন জোড় গুঞ্জন, বাংলায় নাকি আসতে চলেছে “অস্কার”। আর সেই “অস্কার” আসছে সাহেব ভট্টাচার্জ্য, খরাজ মুখোপাধ্যায়, অপরাজিতা আঢ্য ও প্রিয়াংশু চ্যটার্জী এদের হাত ধরেই। শুনতে গল্প মনে হলেও এটাই সত্যি। শীঘ্রই মুক্তি পেতে চলেছে পার্থ সারথী মান্না পরিচালিত ছবি “অস্কার”। ছবি মুক্তির আগে ছবির মুখ্য চরিত্র সাহেব ভট্টাচার্জ্য কে ধরা হল ফোনের ওপারে। ছবির গল্প থেকে শুরু করে ফুটবল সব নিয়েই হল আড্ডা –

কিছুদিনের মধ্যেই আসছে ‘অস্কার’, ছবির গল্প নিয়ে জানতে চাইলে সাহেব জানান, “আমার ক্যরেক্টারটা গ্রামের জমিদার বাড়ির ছোট ছেলের। বড় দাদা প্রিয়াংশু চ্যটার্জী। দুই ভাই জানতে পারে যে বাবার একটা স্বপ্ন ছিল একটা সিনেমা বানাবে যেটা অস্কারে যাবে। একদল ছবিটা বানাতে চায়, আরেক দল সেটার বিরোধিতা করে। সেই অন্য দলে আছেন অপরাজিতা দি। ফাইনালি ছবিটা বানানো যায় নাকি বা ছবিটা অস্কার পায় নাকি সেই নিয়েই নানা রকম মজাদার ঘটনা ঘটতে থাকে”।

ছবির গল্প যখন বেশ মজাদার, শ্যুটিং এর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, সে নিয়ে সাহেব বলছেন, “এক্সপিরিয়েন্স ওয়াজ গুড। জেনারালি এই ধরণের ছবির শ্যুটিং এ যা সময় লাগে তার থেকে বেশি সময় লেগেছে যেহেতু আমরা এলাবোরেটলি শ্যুট করেছি, একটু অন্যভাবে ছবিটাকে ফ্রেম করার চেষ্টা করেছি। প্রায় একশো-দেড়শো জুনিয়ার আর্টিস্ট নিয়ে গ্রামে শ্যুট করা হয়েছে”।

এই মূহুর্তে আর কি কি কাজ নিয়ে ব্যস্ত সাহেব? “রিসেন্টলি সায়ন্তন ঘোষালের একটা ওয়েব সিরিজ করলাম, গল্পটা ইন্টারেসটিং। জয়জিৎ ব্যনার্জী একটা শর্ট ফিল্ম করছেন যার শ্যুটিং শুরু হবে, আমি আর ঋদ্ধিমা করছি”।

সাহেব যে ভীষণ স্মার্ট সেটা সবাই জানেন আর সেই ঝলক ধরা পড়ল আড্ডা শেষের র‍্যাপিড ফায়ারে…

প্রিয় ফুটবলার, সুব্রত ভট্টাচার্জ্য না সুনীল ছেত্রী?

– সুব্রত ভট্টাচার্জ্য (হেসে)।

ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল দেখবে, বন্ধুদের সঙ্গে না ফ্যমিলির সঙ্গে?

– বন্ধুদের সঙ্গে।

কোনটা বেশি এনজয় করো, নিজেকে নিয়ে গসিপ না অন্যদের গসিপ?

– নিজেকে নিয়ে বানানো গল্প শুনতে বেশ মজা লাগে।

শো হোস্টিং না অ্যক্টিং, কোনটা বেশি পছন্দের?

– অ্যক্টিং।

লাস্ট দেখা পছন্দের ছবি?

– সঞ্জু।

বন্ধুদের সাথে পার্টি না লং ড্রাইভ?

– বন্ধুদের সাথে পার্টি।