দীর্ঘ অন্তরালের পর আবার রুপোলী পর্দায় ফিরছেন ডিস্কো ডান্সার।ছবির পরিচালক মানস মুকুল পাল।স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে গল্প।আমাদের চেনা ইতিহাসের বিপ্লবীর অচেনা গল্প বলবেন মানস ও মিঠুন।মানস মুকুলের ‘সহজ পাঠের গপ্পো’ আলোড়ন তৈরী করেছিল। অচেনা দুই কিশোরকে দিয়েই মানস মুকুল তাঁর জাত বুঝিয়ে দেন। সেই থেকেই তাঁর উপর নিজের কামব্যাক মুভির জন্য ভরসা করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। ১৯৩০ সালে বিনয়, বাদল, দীনেশের রাইটার্স অভিযানই এই ছবির প্লট। কিন্তু মানস মুকুল বলবেন মূলত বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তর গল্প।মিঠুন এরকম স্বাধীনতা সংগ্রামের গল্প নিয়ে আগে কিছু ছবি করেছেন। দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে ‘চাকা’ কিংবা ‘ফেরারী ফৌজ’ -এর মতো ছবি।
কিন্তু দীনেশ গুপ্ত র গল্পটা আরো চমকপ্রদ। পরিচালকের কথায়, “অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীই তাঁদের অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তার কতটুকুই বা আমরা জানি। এমন অনেক বিপ্লবী ছিলেন যাঁদের সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞানের পরিসীমা সীমিত। দীনেশ গুপ্ত তাঁদেরই মধ্যে একজন। তাঁর জীবনের গল্পকেই তাই বেছে নিয়েছি আমি।” ছবির নাম এখনও ঠিক করেননি বলে জানিয়েছেন মানস। তবে মিঠুনের চরিত্রটি কি দীনেশ গুপ্তরই? নাকি তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গুরত্বপূর্ন চরিত্র? সে কথা এখনও খোলসা করেননি পরিচালক।বিনয় বাদল দীনেশ নিয়ে ছবি অঞ্জন দত্ত,অনিকেত চট্টোপাধ্যায়রাও করতে চান। যেখানে ভাবা হয়েছিল দেব কেও। কিন্তু মানস মুকুল আর পিছিয়ে আস্তে চাননা।
পরিচালক মানস মুকুল পাল জানান, ” মিঠুনদার চরিত্রে নাম কী তা এখনই বলতে চাইছি না, তবে এটুকু বলতে পারি উনি এমন একটা চরিত্র করছেন যাঁর ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য অবদান রয়েছে।কিন্তু তাঁর নাম আমরা কেউ অবগত নই। স্বাধীনতা সংগ্রামে এই চরিত্রের কী অবদান রয়েছে, সেগুলো জানা তো পরের কথা আমরা হয়তো তাঁর নামই জানি না। তবে তাঁর এই চরিত্রটা এক্কেবারেই রিয়েল লাইফ চরিত্র। কিছুদিন আগেই মুম্বইতে গিয়ে মিঠুনদাকে চিত্রনাট্য পড়ে শুনিয়েছি। উনি ছবিটি করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।”
দীর্ঘ অসুস্থতা পেরিয়ে ফিরছেন মিঠুন। মিঠুন ভক্তদের কাছে এ এক দারুন উপহার।


