চৈতন্যের নস্টালজিয়া নিয়ে ফিরেছেন যীশু!

চৈতন্যদেবের সঙ্গে ভীষন গভীর এক নষ্টালজিয়া জুড়ে আছে অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত’র। এমনকি রুপোলী পর্দার সাথে তাঁর আলাপচারিতার নেপথ্যেও ছিলেন চৈতন্য দেব। হয়তো বলবেন সেটা কিভাবে? সম্ভবত ১৯৯৯ সালে “মহাপ্রভু” নামক একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে চৈতন্য মহাপ্রভুর চরিত্রে ডেবিউ করেন যীশু, এবং দর্শকদের মনে তাঁর জনপ্রিয়তার সূত্রপাত ছিলো এটাই। এরপর তাঁর কেরিয়ার গতি নেয় বড়ো পর্দা এবং ছোট পর্দার বিভিন্ন চরিত্রের মধ্যদিয়ে। ‘প্রিয়জন’ ছবির আঙুল ধরে তিনি বড়ো পর্দায় পা রাখলেও চৈতন্য রুপী যীশু’র আর দেখা মেলেনি।

সম্প্রতি ‘উমা’ এবং ‘এক যে ছিলো রাজা’ ছবিতে যীশুর বেশ ব্যতিক্রমী দুটি চরিত্রের সাথে আলাপ করতে চলেছি আমরা। ছবি দুটিই পরিচালনা করছেন সৃজিত বাবু। বিগত কয়েক বছর ধরেই সৃজিত মূখার্জী’র বেশ কয়েকটি এক্সপেরিমেন্টাল ছবিতে উঠে এসেছে যীশু’র নাম। ২০১৪ সালে ‘জাতিস্মর’ ছবির মধ্য দিয়েই এর সূত্রপাত ঘটে।

ওদিকে ‘উমা’ আর ‘এক যে ছিলো রাজা’ যখন মুক্তির পথ প্রশস্ত করছে ঠিক তখনই সৃজিত বাবুর চরিত্র বাছাই পর্বে আবারও উতরে গেলেন যীশু। ছবির নাম ‘গৌরাঙ্গ ইতিকথা’। এই নিয়ে পরপর ৯খানা ছবিতে একসঙ্গে কাজ করছেন যীশু এবং সৃজিত। সৃজিত বাবু জানাচ্ছেন, গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর চরিত্রের জন্য মানানসই কাউকে খুৃঁজছিলেন তারা এবং এক্ষেত্রে যীশুর চেয়ে বেটার অপশন হয়তো খুব কমই আছে।

Jisshu Sengupta and Srijit Mukherji
Jisshu Sengupta and Srijit Mukherji

সত্যি কথা বলতে সৃজিত বাবুর উক্তিটাও বেশ প্রাসঙ্গিক। কারণ যীশু ইতিমধ্যেই চৈতন্যের চরিত্র নিয়ে বেশ স্বচ্ছল। তাঁর কাছে কমতি নেই অভিজ্ঞতারও। তবে অনেকেই সৃজিত মূখার্জী’র ছবিতে যীশুর বার বার ফিরে আসাকে পক্ষপাতিত্ব বলেই খালাস। শোনা যাচ্ছে, ছবিটির প্রযোজনা করছেন রানা সরকার। এর আগেও দুবার রানা সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন সৃজিত।

আমরা অনেকেই জানি যে, নিজের লেখা স্ক্রিপ্টে কাজ করার জন্য বিশেষ সুনাম আছে সৃজিত বাবুর। তবে এবার সেই প্রথায় পূর্ণচ্ছেদ পড়তে পারে। কারণ শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই চিত্রনাট্য লিখে ফেলেছেন। এবং প্রযোজকের কথানুযায়ী, এই প্রথমবার অন্য কারোর লেখা চিত্রনাট্যে পরিচালনা করবেন সৃজিত।