ভূত কি ভবিষ্যৎ শিক্ষকরা ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন!

মীরাক্কেল খ্যাত কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জীর পরিচালনায় ইউটিউবে রিলিজ করল তার শর্ট ফিল্ম ‘সত্যদার কোচিং’।

‘সত্যদার কোচিং’ – এরম কোনোও কোচিং ক্লাসে আমরা প্রত্যেকেই হয়তো পড়েছি ছোটবেলায়। শিক্ষক গুরুর সমান সেই শিক্ষা জন্মে থেকে পাওয়া সত্যেও, কখন সখনো তাদের নিয়ে মজাও করেছি। আজ সেই সমস্ত দিনের কথা মনে পরলে অনেকেরই হয়তো খারাপ লাগে। ঠিক যেমন লাগছে আকাশ, ধ্রুব ও কৃষ্ণের। তারাও একসময়ে অনেক মজা করে তাদের শিক্ষক সত্যদাকে নিয়ে। আজ তাঁর অবর্তমানে তার প্রয়োজনটাই যেন অনুভব হল বারেবারে। একটু খোলসা করে বলি। মীরাক্কেল খ্যাত কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জীর পরিচালনায় ইউটিউবে রিলিজ করল তার শর্ট ফিল্ম ‘সত্যদার কোচিং’। এই ছবির প্রধান চরিত্রে মীর, ঋদ্ধি, রাজর্ষি ও কৃষ্ণ। ২৫ মিনিটের মধ্যে একই সাথে, একই জায়গায় ভয় ও কমেডি মিশিয়ে সুন্দর একটা গল্প বলেছেন কৃষ্ণেন্দু। তার এই প্রচেষ্টাকে অবশ্যই সাধুবাদ। ইতিমধ্যেই ছবিটি জায়াগা করে নিয়েছে ইউটিউব ট্রেন্ডিঙ্গে। প্রত্যেকেরই অভিনয় বেশ ভালো। ছবিতে যে ভূতুড়ে বাড়ি দেখানো হয়েছে, তা বেশ একটা গা ছমছমে ব্যপার এনেছে।

গল্পের এক প্রধান চরিত্র সত্যদা হলেন পেশায় শিক্ষক। ছাত্র পিটিয়ে জীবনের অর্ধেক বছর কাটিয়েছেন। তারই দায়িত্বে পড়ে তিন মাধ্যমিক ফেল ছেলে আকাশ, ধ্রুব ও কৃষ্ণ। তিনটি ছেলেই আদতে ফাজিল, খারাপ ভাষায় বললে রাম বজ্জাতও বটে। ফুসফুস কোথায় দেখা যায় এই প্রশ্নের উত্তরে অনায়াসে তারা জবাব দিতে পারে ‘সিগারেটের প্যকেটে’। এরম চলতে চলতে হটাতই একদিন তাদের পড়ানো কালীনই মারা গেলেন সত্যদা। স্যরের শেষ কৃত্য সম্পন্ন করে সিগারেটে সুখটান দিতে দিতে স্যরকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা বজায় থাকলো। গোল বাঁধল এখানেই, ঐ বখাটে ছেলেগুলোর জীবনে ঘটে যায় এমন ঘটনা যার পরিনতিতে ছলছল চোখে বেয়াড়া ছাত্ররা সেই সত্যদাকেই তাদের স্বীকারোক্তি ‘থ্যঙ্ক ইউ স্যর’। বাকিটা আপনারা দেখুন এবং জানান কেমন লাগলো আপনাদের আড় একটা কথা ধ্রুব সত্য, ভুত কি ভবিষ্যৎ শিক্ষকরা ছিলেন,আছেন, থাকবেন!