হিন্দু-মুসলমান, এদের মধ্যে শুধু ঝগড়া না প্রেমটাও হয়!

পাড়ার ঠেকে চায়ের পেয়ালায় চুমুক বসাতেই কানে এলো একটি একঘেঁয়ে টপিক। আড্ডায় রোজই কমবেশি নানা টপিক উঠে আসে। সন্ধ্যা খানিকটা ঘন হলেও তর্কবিতর্ক গুলিকে আধ খাওয়া করে উঠে পড়তে হয় আমাকে। আসলে সেই একঘেয়েমি আড্ডায় তেমন মনও বসে না। কিন্তু আজকের টপিটা কিছুটা বিরক্তি আর অযৌক্তিকতার সমন্বয়।

কথা শুরু হয়েছিলো হিন্দু-মুসলিম নিয়ে। না তবে প্রেম নয়। আড্ডার দুই পক্ষের যুক্তি ইঙ্গিত দিচ্ছিলো তাদের মধ্যেকার সেই সনাতন দ্বন্দ্বের দিকেই। এই একটা ব্যাপারেই আমার চরম অ্যালার্জি। তাই এতক্ষণের নিস্তব্ধতা কাটিয়ে মুখ খুললো আমারও। কথা ঘুরিয়ে শুরু করলাম হিন্দু- মুসলিমদের প্রেমের গল্প। প্রেমটা কেবল জাতি বা ধর্মের ছিলো না, দুই মনের লাবণ্যতাও ছিলো এই গল্পে। আমার মুখ খুলতেই যারা এতোক্ষন আসরে বড়ো বড়ো যুক্তি খাড়া করেছিলো তাদের মুখেও কুলুপ এঁটে গিয়েছে। এককথায় মন বসেছিলো তাদেরও। না বসেও উপায় ছিলো না।

একটি মুসলিম ছেলে এবং হিন্দু মেয়ের এই গল্প। সবগল্পের মতোই ভিলেনের চরিত্র এখানেও এগিয়ে গেছিলো মেয়েটির বাবাকে নিয়ে। মেয়ের বাবা ব্যবসায়ী। অর্থাৎ একটা কাপড়ের দোকান আছে। ওই দোকানেই কাজ করতো এই গল্পের নায়ক।

হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। মুসলিম ছেলে আর হিন্দু মেয়ের এই প্রেমের গল্পটা বাস্তবে এসেছে একটি শর্টফিল্মের থেকে। যার পরিচালক অর্ণব কর্মকার এবং কল্যাণ সাহা। জয়ীতা এবং প্রসুন’কে গল্পটির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

আদপে আমার না বলা গল্পটা এই মুহুর্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইউটিউবে। ছবিটির নাম ‘না বলা কিছু কথা’। আমার না বলা গল্পের সাথে এই না বলা কথা গুলে খেতে গেলে একবার হলেও আপনাকে দেখে নিতে হবে এই শর্টফিল্মটি। আর যাইহোক একটি নতুন অভিজ্ঞতা কুড়িয়ে নিতে পারবেন নিজের ঝুলিতে।