দর্শক এই শিবপ্রসাদকে পেতে চাইবে বারবার !

শিবপ্রসাদ

নানান টানাপোড়েন এর মধ্যে দিয়ে গিয়ে অবশেষে রিলিজের সুযোগ আসে, মুক্তি পায় ‘ইচ্ছে’ (২০১১)। এক সপ্তাহের মধ্যেই দর্শক সমাগম দেখতে পারেন হল মালিকেরা। লাইমলাইটে আসেন পরিচালক শিবপ্রসাদ। এরপর আর সেভাবে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একে একে মুক্তধারা, বেলাশেষে, প্রাক্তন, পোস্ত এর মত হিট সিনেমা উপহার দিতে থাকেন দর্শকদের। পরিচিতি পায় অ্যাক্সিডেন্ট, অলীক সুখ, রামধনু’র মত একটু ভিন্ন স্বাদের সিনেমা। তবে পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আরো একটা পরিচিতি রয়েছে ফিল্মি দুনিয়ায়। লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগতে শিবপ্রসাদের প্রথম পা রাখেন একজন অভিনেতা হিসেবে।

রবীন্দ্রনাথের ‘চার অধ্যায়'(১৯৯৭) দিয়ে যাত্রা শুরু অভিনেতা শিবপ্রসাদের। ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘বাড়িওয়ালী’-তে দেবাশীষ হিসেবে ছাপ রেখেছেন প্রতিভার। বঙ্গভঙ্গের কাহিনি নির্ভর ‘একটি নদীর নাম’ এ নজর কেড়েছেন দর্শকের। মুক্তধারা’র হ্যাপি সিংকে মনে পড়ে? ধর্ষক হ্যাপি সিংকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন সেদিনের শিবপ্রসাদ। রামধনু’র আপাত গোবেচারা হাসিখুশি লাল্টু দত্তকে কিন্তু এখনো মনে রেখেছে দর্শক , তবে সময়ের সাথে সাথে কখনো অ্যাক্সিডেন্ট’র এর অর্ক আবার কখনও হামি’র লাল্টু বিশ্বাস হয়ে উঠেছেন পরিচালক অভিনেতা শিবপ্রসাদ।

এবার অবশ্য ভূতের রাজার বেশে স্ক্রিনে ধরা দিতে চলেছেন তিনি। সিনেমার নাম ‘কন্ঠ’, পরিচালনায় সেই শিবপ্রসাদ-নন্দিতা জুটি। তবে এবার আর পার্শ্বচরিত্র নয়, একেবারে সেন্টার অব অ্যাট্রাক্সন-এ শিবপ্রসাদ। ল্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সারে আক্রান্ত বাচিক শিল্পী(আর.জে) অর্জুন মল্লিকের ভূমিকায় রয়েছেন শিবপ্রসাদ। দুরারোগ্য এই ব্যাধির সাথে লড়াই করে নিজের কন্ঠ ফিরে পায় চরিত্রটি। এবং জীবনের মূলস্রোতে ফিরে এসে কিভাবে অনুপ্রাণিত করে বহু মানুষকে তা নিয়েই বয়ন এই গল্পের।  পোস্টারেই যে পরিমাণ সাড়া ফেলেছে দর্শকদের মধ্যে তাতে শুধু ট্রেলার নয়, মে মাসে ছবি মুক্তির দিকে তাকিয়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রি।