অষ্টম আশ্চর্য মনিকা বেলুচ্চি !

মনিকা বেলুচ্চি

খন সবে মাল্টিমিডিয়া ফোন এসেছে। একটা ছোট্ট ক্লিপ তখন প্রায় অনেকের মোবাইলে৷ যৌনতার জন্য দেখা। তারপর খোঁজ নিয়ে দেখা গেল সেটা ইতালির বিখ্যাত সিনেমা ‘মালেনা‘র ক্লিপ। মালেনা মানেই মনিকা বেলুচ্চি আর তার শরীর। সারা বিশ্বে সব যুবকের হৃদয়ে ঝড় তোলা নারী৷

মনিকা বেলুচ্চি১৯৬৪ সালে চিটা ডি ক্যাস্টোলো, পেরুজিয়া, ইতালিতে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা একটা ট্রাকিং কোম্পানির মালিক। মা পেইন্টার। মনিকার ইচ্ছা ছিল উকিল হবেন। আইন পড়তে গিয়ে হাতখরচের জন্য মডেলিং এ নামেন। আকর্ষনীয় ফিগারের জন্য সহজেই ভালো জায়গায় চলে যান। ১৯৮৮সালে ইউরোপ ফ্যাশন সেন্টার মিলানে যান এবং এলিট মডেল হিসাবে নাম পান ৷ তাঁর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে নিউইয়র্ক পর্যন্ত৷ ১৯৯০ সালে ভিটা কই ফিজলি নাটকে তিনি অভিনয় করেন। ব্যাস! আর তাকে পিছনে তাকাতে হয়নি। ওই বছর ইংল্যান্ডে ব্রিজান্টি সিনেমায় অভিনয় করেন৷ এরপর মেল গিবসন তাকে ডেকে নেন দ্য প্যাশন অফ ক্রাইস্টে। মেরি ম্যাগডালিনের ভূমিকায় সমালোচকদের কাছ থেকে প্রশংসা পান৷ তারপর অভিনয়কে তিনি সিরিয়াসলি নেন।

মনিকা বেলুচ্চিএরপর ম্যাট্রিক্স, ইরেসভার্সিবল, শুট দেম আপ, ড্রাকুল, জেমস বন্ডের মত সিনেমায় অভিনয় করেন। তার ইংলিশ উচ্চারণ খুব ভালো ছিল না। পাননি অস্কারও। যদিও পেয়েছেন গোল্ডেন গ্লোব। তবু তাকে নিয়ে উন্মাদনার শেষ নেই৷ জনৈক এক শিল্পী তাঁকে বলেছেন পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য তাঁর শরীর। ২০০৪ সালে লা প্লাস বেলে ফেম ডু মন্টে টিভি শোতে দুনিয়া জুড়ে এক সমীক্ষায় তাঁকে ‘মোস্ট বিউটিফুল উওম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ ঘোষনা করা হয়। ২০০৬ তে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জুরি ছিলেন কোটি কোটি যুবকের হৃদয়হরনকারী এই নারী।

মনিকা বেলুচ্চি