বন্ধুত্বের সিনেমা পর্ব ২ !

বন্ধুত্বের

রপর আসা যাক হিন্দিতে। প্রথমেই যে সিনেমাটির কথা চলে আসছে সেটা হল শোলে। সত্তরের দশকের শেষ দিকে শোলে সিনেমার জনপ্রিয়তা এখনো ধরে রেখেছে। গল্প সবারই জানা। গব্বর সিং এর হাতে মৃত্যু হয় জয় অমিতাভ বচ্চনের। তারপর ধর্মেন্দ্রর কাছে তার মৃত্যু দৃশ্যটি চোখে জল এনে দেয় দর্শকদের। জয়-ভীরু এখন বন্ধুত্বের মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দিল চাহতা হ্যায় – ২০০১ সালে ফারহান আখতারে এই সিনেমাটি হিন্দি সিনেমার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সিনেমার গল্প ছিল তিন বন্ধুকে নিয়ে। যারা জীবনযুদ্ধে পা মেলাতে গিয়ে ক্রমশঃ একে অপরকে হারিয়ে ফেলে৷ খুব স্বাভাবিক সবার জীবনে ঘটে যাওয়া গল্পটি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন ফারহান।

রঙ দে বাসন্তী – ২০০৬ সালে রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার দেশাত্মবোধক সিনেমাটি বন্ধুত্বের জন্য ধরা যায়। মিগ ২১ বিমানে নিহত বন্ধুর প্রতিশোধ নিতে মন্ত্রীকে হত্যা করে বাকিরা। এবং তাদের পরিনতিও ভয়াবহ দিকে যায়৷ সিনেমার বহু অংশ জুড়েই বন্ধুত্বের নানা খুনসুটি রয়েছে।

থ্রি ইডিয়টস – ২০০৯ সালে আরো একটি কালজয়ী সিনেমা হল থ্রি ইডিয়টস। গল্পের মূল উপজীব্যই ছিল বন্ধুত্ব। বন্ধুর জন্য মানুষ কতটা কি করতে পারে তা এই সিনেমা দেখলে বোঝা যায়৷ অমর হয়ে আছে র‍্যাঞ্চো-রাজু-ফারহানের মত চরিত্রগুলি।