বড়পর্দার এই সিরাজের বেগম কতটা সফল ছিল ?

সিরাজের

৪৬ বছর আগে শ্রীপারাবতের উপন্যাস অবলম্বনে সুশীল মুখোপাধ্যায় সৃজন করেছিলেন ‘আমি সিরাজের বেগম’। নামভূমিকায় সন্ধ্যা রায়। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়-সন্ধ্যা রায়-বাসবী নন্দী অভিনীত সেই ছবি বছরের সেরা ব্লকবাস্টার ছবির তালিকায় নথিভুক্ত হয়েছিল। ইতিহাস বলে, বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রিয়তমা পত্নীর নাম ছিল লুৎফুন্নেসা। লুৎফুন্নেসা ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথমে তিনি ছিলেন সিরাজের মা আমিনা বেগমের একজন হিন্দু পরিচারিকা। তাঁর যৌবন দীপ্ত সৌন্দর্য এবং মধুর ব্যবহারে সিরাজ আকৃষ্ট হন। তার অনুরোধে আমিনা বেগম লুৎফাকে পুত্রের সেবায় নিয়োজিত করেন খাস জারিয়া রূপে। পরবর্তীতে সিরাজ তাকে বিয়ে করেন, একজন জারিয়াকে বেগমের সম্মান দেন এবং তাঁর নাম রাখেন লুৎফুন্নেসা বেগম।

সন্ধ্যা রায় সারল্য মাখা মুখ নিয়ে যেমন ‘বাবা তারকনাথ’ এর সুধা কে মেগাহিট করিয়েছেন। তেমনি সিরাজের বেগম কেও মুসলিম ধর্মের অভিনয়ে ব্লকব্লাস্টার হিট করান। ‘আমি সিরাজের বেগম’ ছবির চরিত্র চিত্রণ ছিল এমনি।

নবাব আলিবর্দী – পাহাড়ী সান্যাল
সিরাজ – বিশ্বজিৎ
লুৎফা – সন্ধ্যা রায়
ঘসেটি বেগম – বাসবী নন্দী (যার উপস্থিতি ম্লান হয়নি সন্ধ্যা রায়ের গ্ল্যামারের পাশে বরং নজরকারা কালজয়ী)
মিরজাফর – বিকাশ রায়।