“কারুর ফিলিং’কে আঘাত করা উচিৎ নয়!”

ভ্যালেন্টাইন’স উইক কেটে গেলেও, প্রেমের মরশুম কিন্তু এখনও থেকেই গেছে। আর থাকবে নাই বা কেন, বসন্ত কাল বলে কথা, বাতাসে তো প্রেম বইবেই। গতকাল এই প্রেম, বন্ধুত্ব সাথে কেরিয়ার সব কিছু নিয়েই ফোনে আড্ডা দিল দুই ইয়ংগ ট্যালেন্ট জিয়া ও আনন্দ চৌধুরী। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী মুক্তি পেয়েছে তাদের মিউজিক ভিডিও ‘পেয়েছি পরিচয়’।

দুজনরেই এটা ফার্স্ট মিউজিক ভিডিও, স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠে এল তাদের এক্সপিরিয়েন্স নিয়ে। আর দুজনেই এ বিষয়ে সহমত। জিয়া জানালেন, “যেহেতু একদিনে শ্যুট করছি একটা প্রেসার ছিল, বাট ওভার অল এক্সপিরিয়েন্স ওয়াজ গুড”। অন্যদিকে স্ক্রিপ্ট শুনেই ভালো লেগেছিল আনন্দর। জানালেন, “ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। যেহেতু চার মিনিটের মধ্যে পুরো গল্পটা দেখানো হয়েছে ব্যপারটা খুব কম্প্যাক্ট ছিল আবার একটু টাফও ছিল। ডিরেক্টর প্রতিটা শট নিয়েই খুব ক্লিয়ার ছিলেন”।

কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে জিয়ার প্রথম ছবি “চৌধুরি রাজবাড়ি”। সিনেমার থেকে মিউজিক ভিডিও কতটা আলাদা লাগলো প্রশ্ন করলে জিয়া জানান, “দুটোর ক্যারেক্টর ডিফারেন্ট। সিনেমায় ইমোশন বোঝাতে ডায়লগ পাই, কিন্তু এখানে সবটাই এক্সপ্রেশন সে ক্ষেত্রে অনেকটাই ডিফারেন্ট লেগেছে”। অন্যদিকে মিউজিক ভিডিও ব্যপারটা বেশ অন্যরকম লেগেছে সিরিয়ালের পরিচিত মুখ আনন্দের। জানালেন, “সিরিয়ালে একটা স্টোরি প্রত্যেকদিন চলতে থাকে। কিন্তু এখানে চার মিনিটের মধ্যেই গল্পের একটা শুরু আছে, শেষও আছে, সেই ব্যপারটা অনেকটাই আলাদা”।

শুটিং চলাকালীন তাদের বন্ডিং যে বেশ স্ট্রং ছিল তা তাদের কথা্তেই স্পষ্ট। জিয়া বলছেন, “আনন্দর সাথে বন্ডিং খুবই ভালো। এভেন আমরা ফার্স্ট টাইম কাজ করেছি কিন্তু দারুণ একটা ফ্রেন্ডলি কানেকশন হয়ে গেছে একদিনেই”। একই মত আনন্দের, জানালেন, “ভীষণ ভালো কেমিস্ট্রি ছিল। জিয়া ইজ অ্য ভেরি গুড ফ্রেন্ড অফ মাইন’। নেকস্ট প্ল্যান জানতে চাইলে আনন্দ বলেন, “সিনেমার কথা চলছে। টেলিভিশন খুব ভালবাসি, সেটা তো থাকছেই”। নেক্সট প্ল্যান নিয়ে খুব বেশি মুখ খুললেন না জিয়াও। জানালেন, “আনন্দর সাথেই একটা প্রোজেক্ট আসছে, কিন্তু সেই নিয়ে এখনই কিছু বলা যাবে না। ছবি, মিউকিজ ভিডিও সব রকমই করার ইচ্ছা আছে”।

কথা প্রসঙ্গে উঠে এল জিয়ার জীবনের প্রেম নিয়ে। জিয়ার জীবনের ঘটনা নিয়েই নাকি তৈরী হয়েছে এই মিউজিক ভিডিওর গল্প। জানালেন, “আমার লাইফের সাথে অনেকটাই রিলেট করে এই গল্প। প্রেম মানে আমার কাছে বিশ্বাস এবং রেসপেক্ট। অনেক সময়ই হয় একটা মানুষ যা ফিল করে অপর মানুষটা সেই একই জিনিস ফিল নাই করতে পারে। কিন্তু সেই ফিলিংসটাকে রেসপেক্ট করে ফ্রেন্ডলি ওয়েতেই মিটিয়ে নেওয়া উচিত ব্যপারটা। কারোর ফিলিংস আঘাত করাটা ঠিক না”। জিয়ার কারেন্ট রিলেশনসিপ স্ট্যটাস জানতে চাইলে তার হেসে উত্তর, “একদমই সিঙ্গেল”। জিয়া তার লাইফের সাথে যতটা রিলেট করতে পারছে এই স্টোরি আশা করি আপনারা অনেকেই পারবেন। আপনাদের জন্য রইল এই মিউজিক ভিডিও…

দেখে নিন :