“আমার মতো যারা নিজেদের মতো করে বাঁচতে ভালবাসেন, তাদের জন্য এই গান” – ইমন চক্রবর্তী।

‘উড়নচন্ডী’ শব্দটা শুনতে ছোট্ট মনে হলেও, এর আপেক্ষিক অর্থ কিন্তু বেশ গভীর। প্রসেনজিত চ্যটার্জী এর উদ্যোগে বাংলা ছবির দর্শক শীঘ্রই পেতে চলেছেন এক ঝাঁক উড়নচন্ডীদের গল্প, তাদের লড়াইয়ের গল্প, বেঁচে থাকার গল্প। অভিষেক সাহা পরিচালিত ‘উড়নচন্ডী’ এর ট্রেলার ইতিমধ্যেই প্রশংসিত, দর্শক পেয়েছেন নতুন চমক। আর সেই চমকের শেষ ট্রেলারেই নয়, রয়েছে গানেও। ইমন চক্রবর্তীর গলায়, ‘ছুটছে জীবন উড়নচন্ডী’ আক্ষরিক অর্থে আলাদা মাত্রা দিয়েছে ছবির দৃশ্যায়ণে। প্রসঙ্গত, ইমন মানেই যে বেশ অন্য রকম একটা গান, যাকে সহজেই ‘হিট গান’ এর তকমা দিয়ে দেওয়া যায়, তা তার রেকর্ড বুক ঘাটলেই স্পষ্ট। ‘ছুটছে জীবন উড়নচন্ডী’ নিয়ে তার কি বক্তব্য, তা জানতেই ফোনের ওপারে ধরা হল ইমন চক্রবর্তী কে –

‘ছুটছে জীবন উড়নচন্ডী’ ইতিমধ্যেই দর্শকদের পছন্দের তালিকায়, কেমন লাগছে পুরো ব্যাপারটা? কিছুটা এক্সাইটেড হয়ে ইমন বলতে শুরু করলেন ‘এটা আমার কাছে খুব স্পেশাল একটা গান, এটা সিনেমার প্রমোশনাল সংগ হিসাবে ইউজ করা হয়েছে। বুম্বা দা, দেবু দা (দেবজ্যতি মিশ্র) বা অভিষেক দা এর জাস্ট মনে হয়েছে আমার একটা প্রমোশনাল গান রাখা যেতে পারে। আমি সাধারণত টলিউডে প্রমোশনাল সংগ নিয়ে মাতামাতি দেখিনি। গানটা রিলিজ করার পর শ্রোতাদের এত ভালো লেগেছে, গানটা নিয়ে একটা উন্মাদনা তৈরি হয়েছে সেই ব্যপারটা খুব ভালো লাগছে’।

গানটা গাওয়ার সুযোগ আসার পর তোমার পারসোনালি কি মনে হয়েছিল? ইমন জানাচ্ছেন,

‘গানের টাইটেলটাই আমার ভীষণ পছন্দের। কিছু কিছু মানুষ নিজের মতে জীবনে চালাতে ভালো বাসেন, নিজের মতে বাঁচতে ভালবাসেন। আমার মতো যারা নিজেদের মতো করে বাঁচতে ভালবাসেন, তাদের জন্য এই গান।

দেবু দা বলেছেন যেই মূহুর্তে উড়নচন্ডী কথাটা এসেছে, সেই মূহুর্তে আমার মনে হয়েছে এটা ইমন ছাড়া আর কেউ হতে পারে না। আই অ্যম ভেরি ভেরি হ্যাপি ফর দ্যাট’।

প্রসেনজিত চ্যটার্জী এর প্রযোজনায় প্রথম কাজ, কেমন লাগলো কাজ করে? ইমনের কথায়, ‘খুবই ভালো লাগলো। বুম্বা দা সব জায়গায় বলছেন ইনি প্রোডিউসার নন, প্রেসেন্টার। এই জন্য ওনাকে আমি খুব রেসপেক্ট করি, উনিও আমাকে খুব স্নেহ করেন। নিজের ঘরে গাইতে পারলে যেমন লাগে, সেই রকমই অভিজ্ঞতা। বুম্বা দার সাথে কাজ করতে ভালো লাগে’।