স্টেজে পাশাপাশি দাঁড়ালো দুর্ণিবার ও ইমন, তারপরই শুরু হল ম্যাজিক…

কদিন ধরেই শহর জুড়ে সন্ধ্যে জমছে আর মেঘগুলো দিব্যি ঘোমটা টেনে ডুব দিচ্ছে কালো দিঘীর জলে, মিলনে চমকচ্ছে বিদ্যুৎ আর বিচ্ছেদে স্নাত হচ্ছে আঁধার। ঠিক এইসময়ে আমার ঘরের পাশের ব্যলকনির মেয়েটি গুনগুন করে উঠেছে – “শ্যামা মেয়ে ব্যস্ত ব্যকুল পদে কূটীর হতে তস্ত্র এলো তাই” শুধু তাই-ই নয় পাড়ার মোড় থেকে এগিয়ে আসা ছেলেটির সাইকেলের ক্রিং ক্রিং আওয়াজ যেন আরও কতক অন্ধকার মাখালো মেয়েটির গায়ে। কি জানি আজকাল শহর হয়ত ধোঁয়াশা নয় কালো রঙের ছবি ভালোবাসে, আলো ভুলে আঁধার ডেকে ব্যকুলতা খোঁজে। এমন সময়ে যদি ওই মেয়েটির চোখ কাজলের সাথে সখ্যতা পাতায় তবে এ শহর বসন্ত ভুলে বিসর্জন চাইবে। এই যাহ! এ কি হলো! বিসর্জন বলতেই জলবিন্দু এলো কি করে? ইস! এ যে বৃষ্টি নয়কো অনাসৃষ্টি। খোলা ছাদে বৃষ্টিতে ভিজে স্বপ্ন বোনা এত্ত সহজ।

কানে এলো ঘর ভেসে আসা ইমন ও দুর্ণিবারের নতুন গান “আশা অডিও” ব্যানারে “কৃষ্ঞকলি আমি তারেই বলি”। বুঝলাম এই গানটি পুরানো ভালোলাগার আঁধার ডেকে এনেছে শহরে আর কালো রঙের মায়াজালে সমস্ত মন কেমন কে হারিয়ে ফেলে রেখেছে তেঁতুল বনে।

আরও পড়ুন : গৃহপ্রবেশের পর ভূতুড়ে ফ্ল্যাটের জন্য ইমন পাঠাচ্ছেন উপহার সুদূর নিউ জার্সি থেকে..

গানটি শুনে ফেলুন আর বাইরের শহর ছেড়ে হারিয়ে যান ভিজে যাওয়া নিজের শহরে যেখানে আবার নতুন করে ভাবতে ভালো লাগে, আবারও পুরানো গান নতুন ভাবে শুনতে ভালোলাগে।