ক্রশ কানেকশনের অবসান। থ্রিলার গল্পেই এক্সপেরিমেন্ট শুরু সৃজিতের !

বাংলার বাকিসব পরিচালকেরা যেভাবে থ্রিলার গল্পের সাথে বন্ধুত্ব বাড়িয়ে চলেছেন, সেদিক দিয়ে সৃজিত মূখার্জী’র কাছে এই সংখ্যাটা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম। কারণ তিনি ‘জুলফিকার’, ‘ইয়েতি অভিযান’ বা ‘উমা’র মতো ছবি নিয়ে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আর এসব ছবিতে তাঁর হাতও বেশ পাকা। এরমাঝে যে কটাই থ্রিলার গল্প নিয়ে ঘাটাঘাটি করেছেন তার হিসেব হাতেগুনেই সেরে দেওয়া যায়। তাহলে কি থ্রিলার গল্পের সাথে সৃজিত বাবুর ক্রস কানেকশন কোনো দিন’ই মিটবে না ?

সৃজিত মুখার্জি কিন্তু তেমনটা কোনোদিনই বলেননি। হতে পারে এসব আমাদের মনগড়া ভাবনা। থ্রিলার গল্পের সাথে তাঁর বন্ধুত্ব গভীরে যায়নি ঠিকই, তাবলে যে বন্ধুত্ব বাড়াবেন না তেমনটা কমিটেড নয়।সম্প্রতি তিনি তাঁর ব্যস্ততার সবটুকুই দিয়ে দিয়েছেন ‘এক যে ছিলো রাজা’র জন্য। টিজারেই তাঁর আপকামিং ছবি নাম লিখিয়ে ফেলেছে সোজা হিটলিস্টে। এর মাঝেই সৃজিত মুখার্জি ডুব দিতে চাইছেন একটু অন্যরকম স্বাদে। সেটা থ্রিলার গল্প হলেও হতে পারে। পুজোতে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর আগামী ছবি ‘এক যে ছিলো রাজা‘। এরপর সম্ভবত কাজ করার কথা ‘গুমনামী বাবা‘কে নিয়ে। কিন্তু সৃজিত বাবু বলছেন অন্যকিছুই। ‘গুমনামী বাবা’কে নিয়ে মাঠে নামার আগে আরও একবার থ্রিলার গল্পে হাত দিতে চান তিনি। ঠিক করে ফেলেছেন ছবির নামও, ‘ভিঞ্চিদা‘।

‘এক যে ছিলো রাজা’র কাজ পুরোপুরি মিটে গেলেই শুরু করে দেবেন নতুন ছবির শ্যুটিং। আর সেটা সম্ভবত ১৯ সালের প্রথম দিকেই দেখতে পাওয়া যাবে।ছবির কাস্টিংটাও এবার বেশ মজাদার বানিয়েছেন তিনি। তাঁর গতানুগতিক পছন্দের তালিকা পাল্টে ডাক পেয়েছেন ঋত্বিক-অনির্বান আর রুদ্রনীল’রা। ‘রাজকাহিনী’র পর আবারও সোহিনী’র সাথে কাজ করবেন সৃজিত। বিগত দুবছরে সোহিনী’র অগ্রগতি বেশ মুগ্ধ করেছে সৃজিত মুখার্জিকে। তাই পরিকল্পনা আবারও একসঙ্গে কাজ করার।সৃজিত মুখার্জির আর কটা ছবির থেকে এটা কিন্তু বেশ কিছুটা আলাদা। সেটা গল্প বলুন কিংবা কাস্টিং। ছবির কাস্টিংয়ের ব্যাটন যারা সামলাবেন তারা সবাই টলিপাড়ার নামীদামি অভিনেতা বা অভিনেত্রী। তবে কোনো তারকার সাথে হয়তো এবার আর আলাপ সারা যাবে না। কারনটা কি সেটা কিন্তু সৃজিত বাবুই জানেন ।