কেশ বন্ধনে এবার এক সঙ্গে ঋত্বিক-শ্রাবন্তী !

অভিমন্যু
চুলের আমি, চুলের তুমি, চুল দিয়ে যাবে জানা !

শুনতে মজাদার লাগলেও ডিরেক্টর অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের পরবর্তী ছবির স্টোরিলাইন অনেকটা এমন কথাই বলছে! মুখ্য চরিত্রে ঋত্বিক চক্রবর্তী আর শ্রাবন্তী। চুল ছোট হোক বা বড়, কখনো কার্লি, কখনো স্ট্রেট… মিশ কালো মেঘ বা হাইলাইটেড রঙ বাহারি….যে কোনো মানুষের আইডেন্টিটি পুরো বদলে দেওয়ার জন্য হেয়ারস্টাইলিং-ই যথেষ্ট। আর হেয়ারস্টাইলিং নিয়ে পাগল এমন দুজন মানুষের গল্প নিয়েই পরের ছবি তৈরী করতে চলেছেন অভিমন্যু। ছবির নায়ক আলোকেশ (ঋত্বিক) এবং নায়িকা মিনা(শ্রাবন্তী) নিজেদের হেয়ারস্টাইলিং নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। গল্পের মোড় ঘুরতে শুরু করে যখন আলোকেশ এক রকম বাজার চলতি হেয়ার অয়েল ব্যবহার করে নিজের বাহারি চুল খোয়াতে শুরু করে! মিনার কাছে স্কেস অ্যাপিল হোক বা গুড লুক্স; সব শুরু হয় চুলের বাহার থেকেই। কেমন করে এগোয় গল্প, আর কী হয় পরিণতি তা নিয়েই ছবি। নাম ঠিক হয় নি এখনো। শ্যুটিং শুরু এ মাসের শেষের দিকেই। আদতে মজার গল্প মনে হলেও ছবিতে যে সাধারণ মানুষের অহংকার আর স্বেচ্ছাচারী স্বভাবকে বেশ গুঁড়ো গুঁড়ো করা হয়েছে, তা একটু নজর দিলেই বোঝা যায়! আসলে এই ছবির গল্পও আপাদমস্তক একটি প্রেমের গল্প, দুজন মানুষের সম্পর্কের ওঠা পড়ার গল্প ।

অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়।ঋত্বিক-শ্রাবন্তী এই প্রথম বারের জন্য এক সাথে রুপোলি পর্দায়।  ঋত্বিক কে ছাড়া আলোকেশের চরিত্রে আর কাউকে ভাবতেই পারেন না ডিরেক্টর অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। এর আগে ঋত্বিকের সঙ্গে পরিচালক হিসাবে তিনি কাজ করেছেন দুহাজার এগারোর মেগা সিরিয়াল জোশ-এ। লে ছক্কা তে অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করার সময়ও ঋত্বিকের সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য ঘটেছিল তার; আর তখন থেকেই তার অভিনেতা সত্ত্বার ফ্যান হয়েগেছেন তিনি, কথায় গল্পে এমনটাই জানিয়েছেন এই দৈনিক সংবাদ মাধ্যম কে ডিরেক্টর অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়

ছবি করার আগে একজন স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান ছিলেন অভিমন্যু। কাজেই এই ছবি থেকে এক চুটকি হলেও কমেডির মশলা তো আশা করাই যায়। অভিনব স্ক্রিপ্ট, বেশ নতুন ভাবনাচিন্তা আর সাধারণের জীবনের অসাধারণ গল্প নিয়ে তৈরী হতে চলেছে এই ছবি। সঙ্গে এক্সপিরিয়েন্সড অভিনেতাদের সাপোর্ট তো রয়েছেই। এখন এই কেশ-কথা দর্শকের কাছে কতটা আদরের হয় সেটাই দখার বিষয়!