মেকআপ ডিসাস্টার এড়াতে প্রস্থেটিকে ঋতুপর্ণা…

মেকআপ

মেকআপ বিষয়টা বলিউড বা হলিউডে যতটা সাবলীল ভাবে আসে, টালিগঞ্জে যে সেটা এখনো তেমন উন্নতির জায়গাতে যেতে পারে নি, সে বিষয় নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হলেও সেটা যে কোথাও গিয়ে খানিকটা সত্যি, তা অস্বীকার করা যায় না। মেকআপ যে কতখানি ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে, তা যে বেশ হাস্যকর মনে হতে পারে, রিসেন্ট রিলিজ বিদায় ব্যোমকেশ তার প্রমাণ দেয়…তবে এবার বোধহয় টলিউডের এই সামান্য উইকনেশের দিন শেষ হয়ে এল… সৃজিত মুখার্জীর পরবর্তী ছবিতেই মেক আপ বিষয়ে বেশ নিখুঁত হলেন ডিরেক্টর। স্বাধীনতা সংগ্রামী বীণা দাশকে নিয়ে ছবি তৈরীর রিসার্চে ডুবেছেন সৃজিত। আর এরই মাঝখানে ছবির নাম চরিত্রের অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বীণার ছোট বেলাটুকু বাদ দিয়ে পুরো ছবিতেই বিভিন্ন পর্যায়ের অভিনয়ে দেখা যাবে তাকে। এমনকী বীণার শেষ জীবনের দৃশ্য আরো বেশী সজীব করতে, ব্যবহার করা হবে প্রস্থেটিক মেকআপ পদ্ধতি। ছবির সজীবতা নিয়ে খুঁতখুঁতে সৃজিত মেকআপ নিয়ে কোনো রিস্ক নিতেই রাজি নন, তাই যে কোনো রকম ডিসাস্টার এড়াতে এবারে সরাসরি প্রস্থেটিকের দারস্থ অভিনেত্রী ও ডিরেক্টর স্বয়ং! ছবির বিষয়ে এখনো কোনো কিছুই ঠিক হয় নি। সবে রিসার্চের কাজে হাত লাগিয়েছেন ডিরেক্টর। আর বেশ অনেকদিনের পর বাঙলাতে একজন মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামীকে ঘিরে তৈরী হওয়ার খবরে ভীষণ একসাইটেড সৃজিতের গুণমুগ্ধ দর্শক। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নিজেও ভীষণ আগ্রহী ছবিতে বীণার চরিত্র করতে পেরে। বীণা দাশের জীবনের নানান স্তর, তার গুলি করে গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকশনকে হত্যা করার চেষ্টা, তাও মাত্র একুশ বছর বয়সে; তার নয় বছরের কারাদন্ড, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নিঃস্বার্থ নিজের সারা জীবন বলিদান এই সব কিছুই উঠে আসবে ছবিতে। যেকোনো শক্তিশালী নারী চরিত্র ভাবার সময় শ্রীজিত বোধহয় তার কথাই ভাবেন, রাজ কাহিনী তার বেশ জলজ্যান্ত প্রমাণ, তাই এবারেও পছন্দের প্রথমেই তিনি। আর বীণা দাশের মতো একজন মহীয়সীর চরিত্র করার সুযোগ পেয়ে যে ভীষণ খুশি টালি কুইন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তা বেশ ভালোই জানা গেল তার কনফিডেন্ট কথায়.. গল্পে।