এ হোক এক মন বন্দির খেলা ..

টুকরো

ওয়েব সিরিজ লাস্ট স্টোরিজ বলুন বা মাল্টি স্টারার বম্বে টকিজ, একটা জিনিজ বেশ কমন! গল্প যতই সমালোচকদের পিঠচাপড়ানি পাক না কেন, অনেক গুলো টুকরো গল্প নিয়ে একটা আস্ত সিনেমা, এ যেন ভারতীয় দর্শকের ঠিক পোশায় না। হল থেকে বেরিয়ে একটু নাক সিটকানো থাকবেই। কেন এমন হয় সেটা বোঝা বেশ শক্ত, যদিও বাঙালি দর্শকের এমন অভিজ্ঞতা তাও আবার বাঙলা ছবিতে এখোনো হয় নি। কিন্তু এই না হওয়া টা আর বেশী দিন রইল না। তিনটে ইনডিপেনডেন্ট গল্প, তিন জন ডিরেক্টর, একটা আস্ত সিনেমা। স্টারকাস্টে আবার প্রসেনজিত, জিৎ , আর সোহম একটাই ব্যানারের তলায়! সায়ন্তিকা, শ্রাবন্তী রিতিকা সেন কে নেই। যাকে বলে একেবারে চাঁদের হাট! তারউপর ছবির রিলিজ একেবারে চৌকাঠে এসে কড়া নাড়ছে! আরে ঠিকই ধরেছেন মশাই, বাঘবন্দীখেলার কথাই বলছি। হল রিলিজ আর চলেই এল, ডেট টা ষোলই নভেম্বর। ট্রেলার থেকে গল্প আন্দাজ একটুও করা যায় নি। আর এতটাই থ্রীল ছিল যে চোখ সরেনি এক মুহূর্তও। জমাটি একটা পারফরমেন্স কী তবে আশা করা যায় এবার? জিত বেশ অনেকদিন পর গথে বাঁধা কমার্শিয়াল মুভির বাইরে এসে অন্য অবতারে এই ছবিতে। প্রসেনজিতের ব্যাপারে নতুন করে কিছু বলার অপেক্ষা থাকে না, আর সোহমকেও নাকী বেশ নতুন ভাবে চেনা যাবে, অভিনেতা হিসাবে !

তবে কী বাঘবন্দীখেলা ইন্ডিয়ান দর্শকের এক্সপিরিয়েন্স টা ঘুরিয়ে একদম নতুন ট্রেন্ড সেট করবে? ভীষণ সাফল্যের একটা মাইলফলক তৈরী হবে, দর্শকের মনে?! সেটা জানার জন্য তো অপেক্ষা করতে হবেই ষোলই নভেম্বর পর্যন্ত। তবে এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টারকাস্ট জিৎ ও সায়ন্তিকা জানালেন যে ছবির গল্প নিয়ে তারা ভীষণ রকম আশাবাদী, আর তাই ঝড়…বৃষ্টি বা ফিল্ম রিলিজের সঙ্গে চলা কোলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, কোনো কিছুকেই তারা ডরান না! নিজেদের এক্সপিরিয়েন্স ভাগ করতে গিয়ে নায়ক জিৎ যে আজো বুম্বা দা ওরফে প্রসেনজিত চট্ট্যোপাধ্যায়কেই টলিউড ইন্ডাস্ট্রীর নাম্বার ওয়ান মনে করেন, তাও জানাতে ভুললেন না !