প্রতিমের গলায় এখন “আহারে সৃজিত”!

এক পরিচালকের ছবিতে অন্য আরেক পরিচালকের লেখা গান, এ ঘটনা টলিউডে নতুন কিছু নয়। আজকাল প্রায়শই ঘটছে এমন ঘটনা। কিন্তু দুজন পরিচালক, যাদের মধ্যে সম্পর্কের সুতোটা আলগা হয়েছে বেশ কিছু বছর আগেই, সেক্ষেত্রে কি সম্ভব এরম ঘটনা ঘটা? হ্যাঁ এমনটাও সম্ভব, কারণ এরমই কিছু ঘটেছে। সৃজিত মূখার্জী এবার কলম ধরলেন প্রতিম ডি গুপ্তার জন্যে।

সৃজিত ও প্রতিমের সম্পর্কের ভাঙন ধরে আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে। প্রতিম তখনও পরিচালক হসাবে পরিচিতি পাননি এবং তার লেখা এক চিত্রনাট্যের সাথে সৃজিতের বাইশে শ্রাবণের চিত্রনাট্যের মিল নিয়েই বাঁধে বিরোধ এবং সেই থেকেই শুরু সমস্ত ভুল বোঝাবুঝির। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে প্রতিমকে দেখা গেছে ‘ইয়েতি অভিযান’ এর প্রিমিয়ারে এবং সৃজিতকেও দেখা গেছে ‘সাহেব বিবি গোলাম’ এর প্রিমিয়ারে। তবে কি এমন ঘটল যে দীর্ঘ সাত বছরের সমস্ত অভিমান গলে জল? দুজনেরই একটাই বক্তব্য যে এই ভুল বোঝাবুঝিটা টিকিয়ে রাখার কোনও মানেই হয়নি। আর তাদের মধ্যে মধ্যস্ততা করলেন আরেক পরিচালক মৈনাক ভৌমিক, দুজনকেই ডেকে আড্ডা দিলেন কফিশপে, মিটল সম্পর্কের দূরত্ব।

প্রতিম তার পরবর্তী ছবি ‘আহারে মন’ এর টাইটেল ট্র্যাক লেখার দায়িত্ব দিলেন সৃজিতকে। এই গান লেখার জন্য প্রতিম এমন একজনকে চাইছিলেন যে খুব সহজ সরল ভাষায় গানটা লিখে দেবে, অথচ তাতে মনের ভাষায়ও প্রকাশ পাবে। আর সেই কারণেই ঋতুপর্ণ ঘোষ এর অবর্তমানে সৃজিতকে দিয়েই গানটা লেখানোর কথা মাথায় আসে প্রতিমের। সৃজিতকে দিয়ে গান লেখানোর জন্য প্রতিমের সাথে সহমত ছিলেন অঞ্জন দত্ত ও তার পুত্র নীল দত্ত।

সৃজিত এর আগেও অনেক সিনেমাতেই গান লিখেছেন, আর এবার ‘এক যে ছিল রাজা’ এর শ্যুটিং এর ফাঁকেই গান লিখে ফেললেন তিনি। গান পছন্দ না হলে সেই গান বাতিল করার কথাও বলেন সৃজিত, তবে সৃজিতের লেখা গানই বেশ পছন্দ হয় প্রতিমের। অতএব প্রতিম ডি গুপ্তার পরবর্তী ছবি ‘আহারে মন’ এর টাইটেল ট্র্যাকটা সৃজিত মুখার্জিই লিখলেন। গান নিয়ে এর থেকে বেশি কোনও তথ্য এখনও অবধি পাওয়া যায়নি। বাকিটা জানতে চোখ রাখুন গুলগালের পেজে।