এই মুহূর্তে নন্দিতা-শিবপ্রসাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কে বা কারা?

Shiboprosad and Nandita Roy

গত সাত বছর ধরে যে পরিচালক দ্বয়ের ছবির নামের পাশে ‘হাউসফুল’ তকমাটা কন্সট্যান্ট হয়ে উঠেছে, যাদের ছবির জন্য দর্শক রীতিমত অপেক্ষা করে থাকেন, তারা শিবপ্রসাদ মূখার্জী ও নন্দিতা রায়। ছবির টাইটেল কার্ডে এই দুটি নামই যেন যথেষ্ট দর্শকদের জন্য। আজ পর্যন্ত তাদের তৈরী প্রতিটা ছবিই কোনও না কোনও ভাবে গেয়ে চলেছে বাংলা সিনেমার জয়গান। যার প্রমাণ স্বরূপ একশো দিনেরও বেশি চলেছে তাদের ছবি। শিবু-নন্দিতার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘হামি’ একই রকমভাবে সফল। ইতিমধ্যেই বাংলা ছবির ইতিহাসে টানা ৩১দিন হাউজফুলের রেকর্ড গড়ে ফেলেছে হামি।

এই সফলতার পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করতে যাওয়াটা হয়তো একটু কঠিন। তবে তাদের দর্শকদের কথা থেকে ধার করে বলাই যায় যে এই পরিচালক দ্বয় তাদের ছবির মাধ্যমে দর্শকদেরই কথা বলেন। আর তাই আজ আট থেকে আশি সকলের পছন্দের পরিচালক হয়ে উঠেছেন শিবপ্রসাদ ও নন্দিতা। ২০১১ সালে মুক্তি পায় তাদের প্রথম ছবি ‘ইচ্ছে’। প্রথম কাজ দর্শকদের মনে জায়গা করে নিলেও, এই ছবি রিলিজ করতেই রীতিমত নাজেহাল অবস্থা হয় পরিচালক দ্বয়ের, অপেক্ষা করতে হয়েছিল তিন বছর। আজ যাদের ছবি বক্স অফিসে হিট সিনেমার তালিকায় অন্যতম স্থানে তারাই একদিন ছবি তৈরী করার পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন সর্ব সাকুল্যে এক টাকা। শুনতে গল্প মনে হলেও এটাই সত্যি। ‘অ্যক্সিডেন্ট’ ছবির বাজেটের কথা মাথায় রেখে এভাবেই নিজেদের রেমুনারেশনের তোয়াক্কা করেননি কখনও।

আরও পড়ুন : ঈদের হাইভোল্টেজ বক্সঅফিস লড়াইতে কে কোথায় দাঁড়িয়ে, দেখুন এক ঝলকে…

আজ অবধি দর্শকদের যে কটি ছবি উপহার দিয়েছেন শিবু-নন্দিতা, তার প্রতিটাই মন ছুঁয়েছে দর্শকদের। আবার অন্য দিকে প্রতিটা ছবিরই বাণিজ্যিক দিক বেশ প্রশংসনীয়। অর্থাৎ সিনেমা যে শহরের বা মফস্বলের দর্শকের কথা ভেবে আলাদা করে বানানো হয় না এই সত্যিটা খুব সহজ ভাবেই দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন তারা। এক কথায় কমার্শিয়াল ও নন-কমার্শিয়াল ছবির মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে শিবু-নন্দিতার ছবি। তাদের তৈরী প্রতিটা ছবিই তাদেরকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে বারেবার। ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী যদি কেউ থেকে থাকেন তাহলে সেটা তারা নিজেই। এভাবেই তাদের আগামী ছবিতে তারা আরও বেশি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠুক এটাই কাম্য…