“ডাক্তার বলে দিয়েছিলেন আর কথা বলতে পারবেন না উনি!”…

জীবন যুদ্ধে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ প্রত্যেকদিন অনেক ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর শত্রুদের সাথে মোলাকাত করে, তবে সেই তালিকাতে যদি “ক্যান্সার” নামটা চলে আসে মানুষ একেবারেই ভেঙে পড়ে আর হারিয়ে ফেলে বেঁচে থাকার মানে। কিন্তু আজকে আপনাদের বলবো এমন একজনের নাম যিনি এই ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষদের কাছে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা, তিনি হলেন বিভূতি চক্রবর্তী।

রেলওয়ে ডিপার্টমেন্টে কর্মরত এই মানুষটির ১৯৭২ সালে ধরা পড়ে ক্যান্সার! ‘লারিঙ্গাল ক্যান্সার’ ডাক্তার বলে দিয়েছিলেন আর কথা বলতে পারবেন না উনি! কিন্তু এই বাঙালি হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র ছিলেন না, নিজেই শুরু করলেন বেঁচে থাকার লড়াই, গলাতে সচল অঙ্গগুলোকে ব্যবহার করে তৈরি করেন একটা স্পিচ যেটা নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন উনি! মেডিক্যাল সায়েন্সের ভাষায় যাকে বলে “ওয়েসোফিগাল স্পিচ”। নিজে তো সুস্থ হলেন সঙ্গী করলেন আরও ২০০ জনের বেশি এই রোগে আক্রান্ত মানুষকে বেঁচে থাকার রাস্তা দেখানোর জন্য! এইরকম একজন মানুষের জীবনকাহিনী আসতে চলেছে রুপোলী পর্দাতে, পরিচালকদ্বয় নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখার্জি’র হাত ধরে আসছে দিওয়ালিতে বাংলার মানুষ পেতে চলেছে জীবন-যুদ্ধে বেঁচে থাকার তাগিদ, হার না মানার তাগিদ!  সিনেমার নাম, “কণ্ঠ”।

গত ৪ তারিখ ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার ডে’তে ঘোষণা করলেন পরিচালকসহ প্রযোজক অতনু রায় চৌধুরী এই লড়াইয়ের কথা! মার্চেই ফ্লোরে যাচ্ছে এই সিনেমা যদিও কাস্টিং বা অনান্য ব্যাপারে এই মুহূর্তে কিছু জানাচ্ছে না প্রযোজনা সংস্থা “উইন্ডোজ প্রোডাকশন”। আমাদের অনেক শুভেচ্ছা থাকলো পরিচালকজুটিকে এই ধরনের গল্পকে সিনেমাতে নিয়ে এসে অনেক মানুষকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য…