অবসর শেষ প্রণয় দাসগুপ্ত, জন ব্রাগাঞ্জা’দের…

Mir and Deepankar De

২০১৫ সাল, টলিউড তোলপাড় করে আবির্ভাব হয় বিখ্যাত ক্রিমিনাল লইয়ার প্রণয় দাসগুপ্তের। বাংলা সাহিত্যের হালফিলের গোয়েন্দাদের পাশে বেশ দক্ষতার সাথে জায়গা করে নেন এই পঞ্চাশোর্ধ দুঁদে আইনজীবী। সিনেমার নাম ছিল “শেষ অঙ্ক”, পরিচালনা করেছিলেন তথাগত ব্যানার্জি এবং খাতায় কলমে রহস্যের জাল বুনেছিলেন সঞ্জীব ব্যানার্জি। টানটান সাসপেন্স, বুদ্ধিমত্তার খেলায় মশগুল হওয়া সেই কোর্টরুম ড্রামা আজও অনেক মানুষ ভুলতে পারেন নি, তবে প্রণয় দাসগুপ্তের প্রসঙ্গ এলে আরেকজনের নাম খুব স্বাভাবিক আসে, তিনি হলেন জন ব্রাগাঞ্জা। নানা রকম ছদ্মবেশে যেন মেঘের আড়াল থেকে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য দিয়ে তাক লাগিয়ে দিচ্ছিলেন দর্শকদের।

আরও পড়ুন : প্রসেনজিতের হাতে এবার বাঙালির কোটিপতি হওয়ার চাবিকাঠি !

আইনজীবীর চরিত্রে দীপঙ্কর দে আর জন’এর চরিত্রে মীর’কে ভোলে নি বাংলার সিনেপ্রেমীরা। কিন্তু এই লেখক-পরিচালক “ব্যানার্জি” জুটি মাঝে সিনেমা, শর্ট ফিল্ম বানালেও খোঁজ দেন নি এই আইনজীবী কোথায় আছেন? কিন্তু এবার টলিপাড়ায় নিশ্চিত খবর অবসর শেষ  প্রণয় দাসগুপ্ত, জন ব্রাগাঞ্জা’দের…আবার একটা রহস্যে মোড়া নতুন কেস নিয়ে কোর্টরুমে লড়তে দেখা যাবে প্রণয় দাসগুপ্ত’কে। সিনেমার নাম কি হবে এখনো ঠিক হয় নি তবে খবর এই ফ্রাঞ্চাইজির এটা দ্বিতিয় কিস্তি হতে চলেছে এবং আগামী দিনে প্রণয় দাসগুপ্তরা ফিরে আসবেন নতুন নতুন কেস নিয়ে। এখানে একটা তথ্য আপনাদের দেওয়া উচিৎ এই মুহূর্তে বাংলাতে কোন সাহিত্য ভিত্তিক গোয়েন্দাদের বাইরে প্রথম মৌলিক চরিত্র হলেন প্রণয় দাসগুপ্ত, যার সিক্যুয়াল আসছে এবং দ্বিতীয় হিসেবে “গুপ্তধনের সন্ধানে”র সোনাদা’র নাম আসবে।

MIR new look

এইসবের মাঝে একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর হল, দীপঙ্কর দে আর করছেন না এই আইনজীবীর চরিত্র! বোধহয় সিক্যুয়াল তৈরি করার কথা মাথায় রেখে অভিনেতার বয়স বিবেচনা করেই এই সিধান্ত নিতে পারে টিম ‘ব্যানার্জি’ এবং সেক্ষেত্রে কে হবেন নতুন প্রণয় দাসগুপ্ত সে ব্যাপারে কোনরকম কথা বলতে নারাজ দু’জনেই। মীর যথারীতি আছেন জনের চরিত্রে তবে শোনা যাচ্ছে পুলিশ অফিসার পৃথ্বীরাজ সেনের চরিত্রে আর ফিরবেন না সমদর্শী, সেই চরিত্রে কে আসছেন সেখানেও মন্তব্য করতে রাজি নন তাঁরা…থ্রিলার গল্প শুরু আগেই তৈরি হয়ে গেছে কাস্টিং নিয়ে সাসপেন্স! এইবার গল্প শুরু হয়েছে শহরের একজন নামী ডাক্তারের অ্যাক্সিডেন্টাল মৃত্যুকে ঘিরে, মারা যাওয়ার পর আবার ডাক্তারের গায়ে লাগে মানুষের অঙ্গ-পাচার করার মত সিরিয়াস ক্রাইমের অভিযোগ..এই দুর্ঘটনার চার বছর পর আইনজীবী দাসগুপ্ত নামেন কেস লড়তে এবং সামনে আসতে থাকে একের পর এক শহরের নামী নাম। এবার শুধু অপেক্ষার পালা কে কে থাকছেন আগামী গল্পে এবং দেখার বিষয় হবে কোন অভিনেতা শেষমেশ পা গলাতে পারেন দুঁদে আইনজীবী দাসগুপ্তের জুতোতে…