অঞ্জন দত্তের অজিতের স্বপ্নভঙ্গ এক লিগ্যাল নোটিশে!

শহরে জোর গুঞ্জন, সন্দীপ রায় নাকি আবারও নতুন করে ফেলুদার খোঁজ শুরু করেছেন। শুধু তাই নয়, সন্দীপ রায় শেষ ফেলুদায় অন্য প্রযোজনা সংস্থার কাজ করলেও, আবারও তিনি চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন এসভিএফের সাথেই, গল্প ‘ছিন্নমস্তার অভিশাপ’। তাই স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে নতুন ফেলুদা ও তোপসের খোঁজও। টলিপাড়ার খবর এবারে নাকি ফেলুদা হিসাবে নাম উঠে আসছে যীশু সেনগুপ্ত এর আর সেটা অস্বাভাবিক কিছুই নয়, কারণ গোয়েন্দা চরিত্রে বেশ প্রশংসিত গুটি কতক নামের মধ্যে যীশু অন্যতম। এ প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা ভালো যে যীশুকে দর্শক আর ব্যোমকেশের চরিত্রে দেখতে পাবেন না, কারণ অঞ্জন দত্ত ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে তিনি আর ব্যোমকেশ করবেন না। সেক্ষেত্রে প্রযোজক কৌস্তভ রায়ের সাথে যীশুর আইনি চুক্তি থাকলেও, যেহেতু স্বয়ং পরিচালক আর ব্যোমকেশ করবেন না জানিয়েছেন তাই যীশু আইনি ছাড়পত্র পেতেই পারেন। কিন্তু সেই আইনি ছাড়পত্রই নাকি পাননি শাশ্বত চট্ট্যোপাধ্যায়।

অঞ্জন দত্ত ব্যোমকেশ থেকে সরে দাঁড়ানোতে অরিন্দম শীল তার ‘ব্যোমকেশ গোত্র’ তে অজিত হিসাবে শাশ্বতকেই পছন্দ করেন। কিন্তু কৌস্তভ রায়ের প্রোডাকশন হাউস থেকে লিগাল নোটিশ পাঠানো হয় এসভিএফ কে। শাশ্বতর ধারণা ছিল তিনি শুধু পরিচালকের সাথেই মৌখিক ভাবে চুক্তিবদ্ধ, কিন্তু এই লিগাল নোটিশের পর তাকেও আর অজিতের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে না। পরিবর্তে অজিতের চরিত্রে দেখা মিলবে রাহুল ব্যানার্জি’র।

আরও পড়ুন : প্রতীমের ছবিতে আবার ঋত্বিক-পাওলি!

তার ডেলিসোপের ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করায়, অরিন্দম শীলের পরবর্তী ব্যোমকেশে অজিতের নাম আপাতত রাহুল। কিন্তু ফেলুদা চরিত্রে আল্টিমেটলি কাকে দেখা যাবে সেটাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন। বাংলায় গোয়েন্দা চরিত্রের জন্য মুখ এমনিতেই বেশ কম। সব্যসাচী চক্রবর্তীকে আর ফিরিয়ে আনার প্রশ্ন নেই, আবীর চ্যাটার্জি একই সাথে ব্যোমকেশ ও সোনা’দার চরিত্রে রয়েছেন, পরমব্রত চট্ট্যোপাধ্যায়ের নামও উঠে আসছে না এই মূহুর্তে, অন্যদিকে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম আগেই বাতিল করেছেন সন্দীপ রায়। তাই সব দিক দেখলে যীশু সেনগুপ্তই যে পরিচালক বা প্রযোজকের প্রথম পছন্দ, সে বিষয় অস্বীকার করার উপায় নেই। এখন সবটাই সময়ের অপেক্ষা।