মাধ্যমিকের রেজাল্ট আউটের পর ঠিক এইভাবে নিজের বক্তব্য রাখলেন মীর!

Mir

আমাদের হালকা করে হাসিয়ে দিয়ে বাস্তবতাটাকে তুলে ধরলেন মীর। দিনরাত মেহেনত করে, পড়াশুনো করে গোটা রাজ্যের মধ্যে প্রত্যেক বছরই চূড়ান্ত সাফল্যের পর্যায়ে নাম উঠে আসে কিছু ছাত্রছাত্রী’র, কিন্তু তাদের সাফল্যের পেছনে কৃতিত্বটা কার? নামীদামী প্রকাশনীর বইগুলির না শিক্ষক শিক্ষিকার পঠন পাঠনের? এইরকমই খুব কঠিন একটি প্রশ্ন নিয়ে দ্বন্দ্ব তুললেন মীর এই মিমটির মাধ্যমে ।

এই ছাত্র-ছাত্রী’রা প্রতিবছরই নামীদামী প্রকাশনীর বিজ্ঞাপনী মুখ হয়ে উঠছে, তাদের সাফল্য বিজ্ঞাপনী পণ্য হয়ে দাড়াচ্ছে। শুধু এখানেই শেষ নয়, সমাজ গড়ার কারিগরদের অর্থাৎ শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই নিঃস্বার্থ পরিশ্রমও অবহেলিত হচ্ছে অনেকভাবেই।

আরও পড়ুন : নিজের সহকর্মীদের কড়া চ্যালেঞ্জ দিলেন প্রিয়াঙ্কা!

ঠিক এইসব ঘটনার প্রতি আঙুল তুললেন মির এই মেমেটির মাধ্যমে। এখানেই শেষ নয় ,অভিনন্দন জানিয়েছেন মীর কৃতী ছাত্রছাত্রীদের এবং দ্বিগুণ অভিনন্দন জানিয়েছেন তাদের যারা প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তাতে অবশ্যই ভেঙে পড়ার কিছু নেই, মীর চান তাঁরা যেন জেদ রেখে আরো এগিয়ে যায়। তবে কৃতিত্বের বাস্তবতা কোনদিকে এগোচ্ছে? বা এত সাফল্যের তাৎপর্য্যতা ঠিক কোথায় তা এখন কিন্তু ভাবার বিষয় প্রত্যেকেরই…