পি.সি.চন্দ্র জুয়েলার্স তার অত্যাধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী গয়নার সম্ভারে আজ ভারত প্রসিদ্ধ।এমনকি তার ব্যাপ্তি আজ বিদেশেও।তবে আপনি কি জানেন যে কেবলমাত্র গয়নায় নয়, বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও তাদের একটা বড় অংশীদারিত্ব রয়েছে। হ্যাঁ, একদমই তাই। বাংলার বহু ছবিতেই এসোসিয়েশন পার্টনারের কাজ করেছে পি.সি.চন্দ্র জুয়েলার্স। তবে এই প্রথমবার পাকাপাকিভাবে বাংলার জনপ্রিয় প্রযোজনা সংস্থা ‘উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউজ’ এর সাথে একজোট হল এই জুয়েলারি ব্র্যান্ড।

গত ২২’শে মার্চ পি সি চন্দ্র গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হল এক অনুষ্ঠান, যেখানে ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন কলাকুশলীদের উপস্থিতিতে পি.সি.চন্দ্র জুয়েলার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মি.প্রশান্ত চন্দ্র এবং নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখার্জী পরিচালকদ্বয় সহ সহ-পরিচালক অতনু রায়চৌধুরীর উপস্থিতিতে জানানো হয় তাদের এই চুক্তির কথা। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চূর্ণী গাঙ্গুলি, জয়া এহসান, কনিনীকা বন্দ‍্যোনপাধ্যায়, পাওলি দাম, দেবলীনা কুমার, দেবলীনা দত্ত, ব্রত ব্যানার্জী, তিয়াসা পাল, রজতাভ দত্ত, উজান গাঙ্গুলি, অবন্তিকা, মিউজিক ডিরেক্টর অনুপম রায় ও পরিচালক পাভেল ছাড়াও আরো অনেকে।

একই দিনে ঘোষণা হয় চারটি নতুন সিনেমার যথাক্রমে ‘হামি’, ‘মনোজদের অদ্ভুতবাড়ি’, ‘কন্ঠ’, ‘রসগোল্লা’। এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে গয়না বিপণনকারী সংস্থার তরফে প্রশান্ত চন্দ্র বলেন, “আপামর শ্রোতার সাথে যোগাযোগ করার সেরা মাধ্যম হল ভাল অর্থপূর্ণ সিনেমা। উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউস’ এর প্রতিটি সিনেমাতে রয়েছে এক দৃঢ় বন্ধন। সমসাময়িক সমস্যা এবং সম্পর্কের মূল্যবোধ। তারা আধুনিক সমাজের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সংগ্রামের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে। যার ফলে আমরা খুব সহজেই মানুষদের অনেক কাছে পৌঁছাতে পারব। আমরা চাই তাদের এই কাজে যুক্ত হয়ে ভালো বাংলা সিনেমাকে বিশ্বের দরবারে আনতে।”

পি.সি.চন্দ্র জুয়েলার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মি. চন্দ্রের এই মতকে কুর্নিশ জানিয়ে পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখার্জি জানালেন -“আমি বিশ্বাস করি এই প্রথমবার বাংলার দুটি ভিন্ন সংস্থা এক হচ্ছে বাংলা সিনেমার এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থে। আমাদের প্রোডাকশন হাউস সবসময় চেষ্টা করে এসেছে ভিন্ন ধর্মী গল্পের মাধ্যমে মানুষকে ছুঁয়ে যেতে। আমরা সত্যি হয়ত এর থেকে ভাল সহযোগী পেতাম না যাদের কাছে এই সম্পর্কের মূল্য এতখানি।”