“দঙ্গল”র আসরে পারফেক্ট এন্ট্রি সৃজিতের!

সেই সূত্র ধরেই বলি পাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিলো “দঙ্গল” এর সাকসেস পার্টি। হাইবাজেট এই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক বলি তারকা। কিন্তু তাদের সবার মাঝে চমক দিয়ে জায়গা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন বাংলার পরিচালক সৃজিত মূখার্জী।

ছরে একটি মাত্র ছবি দিয়ে রেকর্ডের নজির গড়ার কারনেই বলিউডে মিস্টার পার্ফেকশনিস্ট নামে পরিচিত আমির খান। এবারেও গল্পটা বিন্দুমাত্র পাল্টায়নি। বিগত বছরের সব ছবিকে ছাপিয়ে রেকর্ডের শীর্ষে আমিরের “দঙ্গল”। অন্যদিকে শাহরুখ এবং ঋত্বিকের দুই হাইভোল্টেজ ছবি নিয়ে বেজায় সরগরম বলিউডে। তবে এই হাওয়া এখনো কোনো অংশেই প্রভাত ফেলতে পারেনি “দঙ্গল”এর বক্স অফিস কালেকশনে। রিলিজের পর ছয়টা সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বলিউডের চালক আসনে এখনো বিরাজমান আমিরের নয়া ছবিটি।

বলিউড ছাড়িয়ে “দঙ্গল” জ্বরে কুপোকাত টলি ইন্ডাস্ট্রিও। বিগত বছরের শেষে “দঙ্গল” এর হটাৎ আবির্ভাব চমকের চেয়ে কোনো অংশেই কম ছিলোনা দর্শকদের কাছে। নতুন বছরের শুরুতেই মুক্তির ডানা মেলেছে একগুচ্ছ ছবি। তবে “দঙ্গল”কে ছাপিয়ে যাওয়ার খেলায় সেগুলি নিতান্তই ব্যর্থ। সিনেমা হলে একটা বড়ো মাপের ঝড় তোলার পর ৩৮৫.৬৬ কোটি টাকার অঙ্ক এসে জুড়েজে “দঙ্গল” এর ব্যবসার খাতায়।

সেই সূত্র ধরেই বলি পাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিলো “দঙ্গল” এর সাকসেস পার্টি। হাইবাজেট এই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক বলি তারকা। কিন্তু তাদের সবার মাঝে চমক দিয়ে জায়গা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন বাংলার পরিচালক সৃজিত মূখার্জী। মিস্টার পার্ফেকশনিস্ট এর সাথেই পার্টির বেশিরভাগ সময় কাটালেন তিনি।

শুধু একা সৃজিত নন সঙ্গে ছিল তাঁর “বেগমজান” বিদ্যা বালান, তাঁকে আবার দেখা গেল আশা ভোশলের সাথে, সব মিলিয়ে বছরের সূচনা পর্বে বলিউডের পার্টিতে টিম বেগমজানের আবির্ভাব এক কথায় একটা পারফেক্ট আসরের সন্ধান দিয়েছিলো বলিপাড়ায়।