তেরো বছরে পা ‘রঙ দে বাসন্তী’

রাকেশ

২০০০ সালে ফারহান আখতার সিনেমা বার করেন ‘দিল চাহতা হ্যায়’। যার মোটো ছিল দুনিয়ায় যা খুশি হোক, আমাদের পরোয়া নেই। যুব সমাজের নার্ভটা ভালোই বুঝেছিলেন ফারহান। কিন্তু ২০০৬ তে এসে রাকেশ মেহরা সেই যুবসমাজকেই বুঝিয়ে দিলেন দুনিয়াটা ঠিক করার দায়িত্ব তাদেরই। সেই রঙ দে বাসন্তী সিনেমা পা দিল তেরো বছরে। আলোচনা করা যাক সেই ইতিহাস ঘোরানো সিনেমাটি নিয়ে। সিনেমাটি রিলিজ হওয়া নিয়েই বিতর্ক শুরু হয় যখন সেন্সর বোর্ড বেশ কিছু দৃশ্যে আপত্তি জানায়। মিগ২১ বিমান সেই সময় ভারতে অনেক আলোচ্য বিষয়। সেটা নিয়ে দূর্নীতিও কম হয়নি। তৎকালীন মন্ত্রী প্রণব মুখার্জি সেটা দেখেন এবং রিলিজের অনুমতি দেন। রিলিজের সাথে সাথেই যুবসমাজে আন্দোলন তোলে সিনেমাটি। দুর্দান্ত অভিনয় রহমানের মিউজিক ছাড়াও সিনেমার সংলাপ অত্যন্ত আলোচিত হয়। “জিন্দেগী জিনে কি দো হি তারিকা হোতা হ্যায়। এক, জো হোনা হ্যায় হোনে দো, চুপচাপ রাহো৷ অউর জমিদারি উঠাও অউর বদল নে কি কৌশিশ করো।”

এখানেই শেষ নয়। দিল্লীতে কোটা নিয়ে ছাত্র আন্দোলনকেও মনে করা হয় এই সিনেমা থেকে অনুপ্রাণিত। গত তেরো বছর তেমনভাবে আরো কোন সিনেমাই যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করেনি। এই স্তিমিত মুহুর্তে সেটাই দরকার ছিল। তাই এত বছর পরেও আলোচিত “রঙ দে বাসন্তী”। বাসন্তী হল উৎসর্গের রঙ। সমাজের জন্য মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ কি আর কেউ করবে সুখি, ডিজেদের মতন?