আমজাদ খান ও তাঁর ভাবনা

সোজা

আমজাদ খান বলতেই মনে পড়ে শোলের গব্বর সিং। একটা ভিলেন কোন উচ্চতায় উঠতে পারে তা তাঁর প্রথম সিনেমাতেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। কম বয়সেই মৃত্যু হয় তাঁর কিন্তু পর্দায় ভিলেনি যতই করুন না কেন মানুষটা ছিলেন খুবই ভালো ও সোজা সাপটা। আজ তাঁরই কিছু বক্তব্য আমরা তুলে ধরবো।

. ভারতে সাধারণত মানুষ সিনেমা দেখতে যায় তিন ঘন্টার রিল্যাক্সিং জন্য। যেখানে বাইরের সব কিছু ভুলে কিছুক্ষণের জন্য হাসি কান্না মজা নিয়ে বাড়ি ফেরে। সেখানে আর্ট ফিল্ম বা বাস্তব ধর্মী ফিল্ম নিয়ে এত মাতামাতি কেন?

. ফিল্ম দেখে মানুষ কখনই কিছু শেখে না। যেমন ধরুন, কোথাও রেপ হল বা নায়ক দশজনকে মারছে। সেটা কেউ বাইরে এসে করে না। তাই ফিল্ম এর জন্য মানুষ খারাপ হচ্ছে এটা ভাবাটাই ভুল।

. সিনেমা হল সমাজের আয়না। সমাজে যা যা ঘটবে, খুন, রেপ বা অপহরণ সবকিছুই সিনেমায় উঠে আসবে। যদি আপনি সেটা সহ্য না করতে পারেন তো কাগজ পড়াটাও ছেড়ে দিন। সেখানেও বহু খারাপ খবর উঠে আসে। সমাজকে বাদ দিয়ে কখনই কোন সিনেমা হতে পারেনা।

. আমার ‘চোর পুলিশ’ সিনেমাটি ফ্লপ হয়। তার কারণ দেড় বছর সেন্সরবোর্ড আটকে রাখে অতিরিক্ত খুন খারাপ দেখানোর জন্য৷ যখন রিলিজ হয় মানুষ এসে হতাশ হয়৷ বলে ‘এতে তো কিছুই তেমন নেই। তাহলে কেন এতদিন আটকে রাখা হল?’

. সিনেমা হলে বসে একজন মানুষ নিজেকে হিরো মনে করে ভাবতে পারে আমি দশজনকে মেরে ফাটিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু বাস্তবজীবনে কোন হিরোকেই অনুসরণ করতে পারেনা। উদাহরণ হিসাবে অমিতাভের চুল নকল করা ছাড়া মানুষ আর কি করতে পেরেছে?