আবীরকে সঙ্গে নিয়ে ওপার বাংলায় অরিন্দমের “অনুপ্রবেশ”!

তাঁর চলতি বছরের তৃতীয় ছবি তথা "অনুপ্রবেশ"এ কিছু ওপার বাংলার ছোঁয়াও পেতে চলেছে দর্শক মহল। গল্প লেখক সমরেশ মজুমদারের এই কাহিনীর মধ্যিখানেই এখন পুরোপুরি মগ্ন পরিচালক অরিন্দম শীল।

নতুন কিছু আবিষ্কারের ধাত’টাকে অরিন্দম শীলের একমাত্র নেশাও বলা যেতে পারে। প্রতিবারের মতোই গল্প আর চরিত্রের সমীকরণে ঠিক বিক্রিয়ার স্ফুলিঙ্গের মতোই জ্বলে উঠলো এক নতুন ছবি। আপাতদৃষ্টিতে ছবির নাম “অনুপ্রবেশ”। গল্প লেখক সমরেশ মজুমদারের এই কাহিনীর মধ্যিখানেই এখন পুরোপুরি মগ্ন পরিচালক অরিন্দম শীল।

নতুন ছবি নিয়ে ঘাটাঘাটি করা এই পরিচালকের এক পুরাতন অভ্যাস। তাই মাঝে মধ্যেই চিন্তাধারা পাড়ি দেয় ওপার বাংলায়। এবারও তাঁর আবিস্কারী চোখ বাধা পড়েছে বাংলাদেশে। ফলস্বরূপ প্রথমবারের জন্য ইন্দো-বাংলাদেশী ছবির দিকে হাত বাড়াচ্ছেন তিনি। তাঁর চলতি বছরের তৃতীয় ছবি তথা “অনুপ্রবেশ”এ কিছু ওপার বাংলার ছোঁয়াও পেতে চলেছে দর্শক মহল।

যাইহোক, আসল কথা হচ্ছে নায়ক, নায়িকার ব্যাপারে কতটুকু এগিয়ে অরিন্দম শীলের ইন্দো-বাংলাদেশী ছবি “অনুপ্রবেশ”।

প্রশ্নটা নেহাতই সাদামাটা হলেও উত্তরটা বেশ চমক প্রদ। দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনার কারনে পরিমনী, নুসরত ইমরোজ তিশা  মতো বাংলাদেশী চরিত্রদেরও দেখা মিলবে এই ছবিতে, আর সঙ্গে আছে রুদ্রনীল ঘোষ, কাঞ্চন মল্লিক, ঋতাভরি চক্রবর্তী সহ অনেকে তবে অনান্য বারের মতোই ছবির প্রধান চরিত্রটি নিঃসংশয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন অভিনেতা আবীর চ্যাটার্জী।

সব চরিত্রের পাশাপাশি কিংবদন্তী অভিনেতা পরাণ বন্দোপাধ্যায়’কেও খানিকটা অভিনব রুপেই দেখতে চলেছে সিনেমা প্রেমীরা। তাহলে এবার বাকি থাকলো আপনাদের এই সিনেয়ায় “অনুপ্রবেশ”র!