“মা তোমার জন্য দাসী নয় বন্ধু নিয়ে এসেছি “

মুখার্জীদার বউ ফিল্ম রিভিউ

‘চারটে দেয়াল মানেই নয়তো ঘর,
নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর।
কখন কিসের টানে মানুষ পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে … ‘

‘মুখার্জীদার বউ’। এটা কি কোনো নারীর সতন্ত্র পরিচয় হতে পারে? হ্যাঁ তাই তো হয়ে এসেছে। যেখানে নারীর পিতৃ-মাতৃ দত্ত নামটা চাপা পড়ে গেছে বিয়ে হয়ে আসা স্বামীর নাম পদবীর আড়ালে। নারীদের আসল নাম ম্যাট্রিক/মাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেটে কিংবা রেশন কার্ডে। কিন্তু সেগুলো আর রোজকার জীবনে মধ্যবিত্ত গৃহবধূদের কি প্রয়োজন। যাদের ইংরেজীতে বলে হাউস ওয়াইফ। আরেকটু আধুনিক করলে হোম মেকার।কিন্তু যে শ্রম তাঁরা দেন হোমে সেই কাজের সম্মান কি পান? ছেলে বা বর তাঁদের কথা শুনিয়েও দেয় “তুমি তো আমার টাকায় খাও।” নেমপ্লেটেও তাঁদের নাম থাকেনা। নেই কোনো নিজের বাড়ি। বউদের নিজের বাড়ি হয়না।  আবার বাড়িতেও মেয়েরা নিজেরা নিজেদের শত্রু কথায় বলে। সেটা সত্যিও অনেকাংশে। আমরা যা দেখি রোজ মেগা সিরিয়ালে। ‘মুখার্জীদার বউ’ কি তবে সেই মেগা সিরিয়ালের মতো শাশুড়ি বউমার “তু-তু ম্যায় ম্যায়? না একদমই নাহ এই ছবিতে আছে সুন্দর মেসেজ। সমাধান সূত্র। শাশুড়ি বউমার মন কষাকষি থেকে তুমুল ঝগড়ার সমাধানের পথ দেখিয়েছে এই ছবি।

মুখার্জীদার বউ ফিল্ম রিভিউশোভারানী আর অদিতি। শাশুড়ী আর বউমা। দুজনের নাম দুটো ঢাকা পড়ে গেছে মুখার্জীদার বউ / মিসেস মুখার্জীর আড়ালে। তাঁরা আজ দুজনেই মুখার্জ্জীদার বউ। কুড়ি বছর বয়সে বিয়ে হয়ে এসছিলেন শোভারানি এই মুখুজ্যে পরিবারে। তখন বরের বাড়িতে এখন ছেলের সংসারে। অদিতি এসছে ছাব্বিশ বছর বয়সে এই সংসারে। তারও দশ বছর হয়ে গেছে এই মুখুজ্যে পরিবারে। শোভারানি সব শাশুড়ির মতোই তাঁর জীবনে না পাওয়া গুলোর শোধ তোলেন বউমা অদিতিকে দিয়ে। কিন্তু তারাই একদিন নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে নিজেদের ঠিক পথে চালানো করতে হাজির হয় মনোবিদ আরাত্রিকার কাছে। তারপরেই বদলাতে থাকে তাদের রোজনামচা। সংসারের ক্যাচ লোপালুপি ছেড়ে শাশুড়ি বউমা বেরিয়ে পড়ে কলকাতা শহরে ঘুরতে, কাঠি আইসক্রীম খেতে, তাঁদের মেয়েবেলা খুঁজে পেতে।

ছবির গল্প আর বলবনা। সেটার জন্য হলে যেতেই হবে। ‘মুখার্জীদার বউ’, মহিলাদের মন পড়তে পেরেছে। মহিলারা এই ছবি দল বেঁধে দেখতে যাচ্ছে সিনেমা হলে জায়ে জায়ে, ননদে জায়ে কিংবা শাশুড়ী বউমাও। কেউ আবার কর্তাকে নিয়ে কেউ সমগ্র পরিবার মিলে দেখছে এই ছবি। ‘মুখার্জীদার বউ’ বিশাল বাজেটের কি বিশাল সেটের ছবি নয়। একদম মধ্যবিত্তদের সাদামাটা গল্প। তরুন মজুমদার বলেন” গল্পটা ঠিক করে বললেই ছবি দর্শকের ভালো লাগে।” ‘মুখার্জীদার বউ’ ঠিক সেরকম মনের কাছাকাছি ছবি। সাধারন মধ্যবিত্ত জীবন সংসারের কাহিনী কিন্তু গল্প পরিবেশন, চিত্রনাট্য খুব মনের কাছের। শোভারানী আর অদিতি যেন আমাদের ঘরের মা বউ। খুব চেনা। কিন্তু তাঁদের বোঝাপড়া বন্ধুত্ব করে দিতে আমরা জানিনা, যে বন্ধুত্বের সন্ধান দিয়েছে ‘মুখার্জীদার বউ’।

মুখার্জীদার বউ ফিল্ম রিভিউশোভারানীর ভূমিকায় অনসূয়া মজুমদার অসামান্য। অদিতির ভূমিকায় কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় অসাধারন। ওরা দুজনেই শাশুড়ি বউমার রোলে জুটি হিসেবে বিখ্যাত ছিলই একটি মেগায় সেই জুটিকেই নতুন ভাবে ফিরিয়ে আনলেন ফিচার ফিল্মে নবাগতা পরিচালিকা পৃথা চক্রবর্তী। সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনী এই ছবি দুই নারীর উত্তোরণের গল্প। এখানেই এই ছবি এগিয়ে।  যেখানে শাশুড়ির বেলন লেগে নাতনির মাথা ফেটে গেলে বউমা আর পাঁচটা পরিবারের মতো শাশুড়িকে গালমন্দ করেনা কি শ্বশুর বাড়ি বা বাপের বাড়িতে লাগায়না সে কথা। আবার শাশুড়ি বউমার হয়েই কথা বলে একদিন ছেলে যেদিন বউকে ধমকায়। শাশুড়ী বউমা দুটো মানুষ আলাদা দুজনের রুচি আলাদা তাই দুজনের টিভির অনুষ্ঠান মেলেনা বউমা নিজের জন্য টিভি কিনে আনতে বাধ্য হয় সেই নিয়ে তুমুল ঝামেলা। ছেলে বলে দেয় আমাদের পরিবারে কোনদিন দুটো জিনিস আসেনি। এইসব সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে আসেন আরাত্রিকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ঋতুপর্ণাকে অসম্ভব স্নিগ্ধ লেগেছে এই ছবিতে। ঋতুপর্ণার মেক আপ, শাড়ি,হেয়ার স্টাইল চোখ জুড়িয়ে দেয়। যেন মনোবিদ নয় কাছের মানুষ। এই ছবির সঙ্গে অনেকে কিছু কিছু দৃশ্যে অপর্ণা সেনের ‘পারমিতার একদিন’ র মিল পাবেন।

মুখার্জীদার বউ ফিল্ম রিভিউযেমন সেখানেও সনকা আর পারমিতা মিলে রেস্টুরেন্টে গিয়ে ফিশ ফিঙ্গার আর কোল্ড কফি খেয়েছিল। এখানে আরো একধাপ এগিয়ে গেছে এই ছবি। যেখানে শ্বশুরের শ্রাদ্ধের দিন সব অতিথি অভ্যাগতর সামনে বউমা শাশুড়ীর পাতে মাছ দিতে বলে। আবার তাঁরা দুজনে গিয়ে বার কাম রেস্টুরেন্টে ওয়াইন খায়। পারমিতার একদিনের ঋতুপর্ণা পারমিতাই যেন আরাত্রিকা হয়ে পরের যুগের এই মুখুজ্যে পরিবারের দুই নারীর উত্তোরণ ঘটাচ্ছেন। নবাগতা পরিচালিকা পৃথা চক্রবর্তী ও চিত্রনাট্যকার সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেই নতুন কিন্তু কি সুন্দর মেয়েদের মন পড়তে পেরেছে ওঁরা। যেমন অনেক ছোটো ছোটো বিষয়, বৌমার মা বৌমার বাবাকে বলে দিচ্ছেন “মিষ্টিটা মেয়ের হাতে নয় বেয়ানের হাতে দিও।” ছবিটা মুক্তি পেয়েছে নারী দিবসে। ছবির পুরো ইউনিট সবাই মহিলা বেশীরভাগ। হল উপচে পড়ছে মহিলা দর্শকে।  অনেক পুরুষের মনে হতে পারে ছবিটা নারীবাদী ছবি। শুধুই পুরুষদের ভিলেন দেখানো হয়েছে যেখানে সরকারী কর্মী বরেরা অফিসে টিফিন খেতেখেতে বলে “আমার বউ তো নারীবাদী গোছের তাই জব বন্ধ করে দিয়েছি বিয়ের পর। “নারীরা কি এমনই পুরুষকে ভিলেন করে ছবি বানান? না পৃথা- সম্রাজ্ঞী জুটি এক বন্ধু পুরুষ চরিত্র রেখেছেন বাদশা মৈত্র-র। যাকে দেখে মহিলারা স্বপ্নের পুরুষ কল্পনা করে। বাদশা যথাযথ খুব সুন্দর। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত আরাত্রিকা মনোবিদের চরিত্রে আবার তাক লাগিয়ে দিলেন। একই সময়ে হলে চলছে ঋতুপর্ণার দুটি ছবি ‘আহা রে’ আর ‘মুখার্জীদার বউ’। দুটো ছবিতেই ঋতুপর্ণা মাত করলেন দু রকম রোলে। ঋতুপর্ণা নিজের সতন্ত্রতার পরিচয় বারবার রাখছেন বাংলা ছবিতে। একদিকে যেমন রঞ্জন ঘোষের ‘আহা রে’ ছবিতে বাংলাদেশের হিরো আরফিন শুভকে নিজের প্রোডাকশান হাউসে লঞ্চ করছেন এ দেশে, তেমনি একদম নবাগতা দুই পরিচালিকা-কাহিনীকার দুই নারীর প্রতি ভরসা করেছেন ঋতু। স্টার নায়িকা হয়েও এই বিশেষ মনোবিদের রোলটি করেছেন ঋতু এবং কি অসাধারন ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এইভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার কাজটি যা করে চলেছেন ঋতুপর্ণা তা আগে কানন দেবী র পর আর কোনো প্রথম সারির নায়িকা করেননি সেভাবে।সাবিত্রী মাধবী সুপ্রিয়ারা করলেও দীর্ঘদিন করেননি। ঋতুকে কুর্ণিশ। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এক সফল পথপ্রদর্শক অনন্যা নারী।

আরাত্রিকার কাউন্সেলিং দৃশ্য শোভারাণী আর অদিতির সঙ্গে কি অসাধারন ভাবে নির্মিত এই ছবিতে। কোথায় আমাদের ভুল বোঝাবুঝি হয় আসলে সবাই পুরুষতন্ত্রের শিকার পুরুষের শিকার নন নারীর শিকার নন, সমাজের শেখানো নিয়মের শিকার। যেমন মেয়েরা প্রপোজ করলে সে বাচাল, মেয়েদের ছেলেরা প্রপোজ করলেই সেই প্রেম মানানসই। ছেলেকে মাছের পেটির পিস দিয়ে বউমাকে গাদার পিস দিতে শেখা। নিজেও কিন্তু শাশুড়ি মা কানকোর পিস নিয়েছেন সেটা ধরিয়ে দেন আরাত্রিকা। এই কাউন্সেলিং প্রশ্নোত্তরে ডঃ অনুত্তমা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যতদূর সাহায্য করেছেন পরিচালিকা চিত্রনাট্যকারদের। যেটার জন্য খুব বাস্তব লেগেছে আরাত্রিকাকে। আর ঋতুপর্ণাকে অনেকদিন পর এত স্নিগ্ধ সুন্দরী লাগল। কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বহুদিন পর সিনেমাতে মুখ্য নায়িকার নামভূমিকায় এতো ভালো চরিত্র পেলেন এবং সেটি করতে কনী নিজেকে উজার করে দিয়েছেন। বউরা খুঁজে পাচ্ছে নিজেদের কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভেতর দিয়ে। কনীনিকার মেক আপ একটা বড় চশমা আবার পার্টিতে ঝুমকো দুলে হাত খোঁপা সবমিলিয়ে দারুন। এক্কেবারে নিঁখুত। অনসূয়া মজুমদার সিরিয়ালে একধরনের ভাষা বলায় টাইপ কাস্ট হয়ে গেছিলেন সেখান থেকে এই ছবিতে অনসূয়া নতুন উন্মুক্ত বাতাস পেলেন।

মুখার্জীদার বউ ফিল্ম রিভিউঅনসূয়া মজুমদার তো দক্ষ অভিনেত্রী মৃণাল সেন অপর্ণা সেন ঋতুপর্ণর সঙ্গে কাজ করা, আর নবাগতা পরিচালিকার সঙ্গেও একশোয় দুশো অনসূয়া মজুমদার। বউমা-শাশুড়ির ঝগড়ার মাঝে অনসূয়ার কমেডি সিকোয়েন্স গুলো দারুন। ড্রয়িং রুমে ছবি লাগানো নিয়ে “তোমার থেকে আমায় রুচি শিখতে হবে?” কিংবা “কাল মর্ণিং টি মাংতা!”  কিংবা মাসী শাশুড়ির বলা “এই জন্যই বলেছিলাম দিদি বাঙাল বাড়িতে বিয়ে দিসনা।”

আরেকজন এ ছবিতে তাক লাগানো অভিনয় করেছেন অপরাজিত আঢ্য। বহুগামী পরকীয়ায় লিপ্ত স্বামীর অত্যাচার,শাশুড়ীর সেবা এসব সামলেও যে বারান্দায় গাছে ফুল ফোটাবার স্বপ্ন দেখে। যে একা বাঁচতে শেখেনি।স্বামীর সব গোপণ গল্প জেনেও সংসারটাকে ধরে রাখতে চেষ্টা করে। “অদিতি আমি তো একা একা বাঁচতে জানিনা” বলে ফেলে অপরাজিতা।  তবু সে চেষ্টা করে মিথ্যে স্বান্তনার সম্পর্ক থেকে বেরনোর। সব কটি নারী চরিত্র ছবিতে রিয়্যালিটি থেকে উঠে আসা। আর আসল যে সেই মুখার্জীদা। ইয়েস বিশ্বনাথ বসু। যে আর পাঁচটা সমাজের গতে শিক্ষিত ছেলের মতো। বিশ্বনাথ পারফেক্ট। আর বিশ্বনাথ পার্শ্বচরিত্র থেকে এখানে মূল নায়ক চরিত্র পেলেন এবং যথাযথ।  শিশু কন্যার ভূমিকায় যে মেয়েটি খুব মিষ্টি খুব পারফেক্ট। কি দারুন অভিনয় করেছে। বহুগামী স্বামীর রোলে শঙ্কর চক্রবর্তী, অপরাজিতার অসুস্থা শাশড়ির রোলে মঞ্জুলা পোল্লে যথাযথ। এই ছবিটা কোনো স্টার ভ্যালু নয় একদম কড়াই ডাল, ভাত, আলুপোস্ত গল্প সুন্দর করে পরিবেশন করেছে।

“ও জীবন তোমার সাথে’ ইমন চক্রবর্তীর গান অরেঞ্জ আইসক্রীমের মতো মুঠো মুঠো ছোটোবেলা ফেরানো। ঈশান মিত্রর ‘কবে আসবে’ রেশ রেখে যায় একাকিত্বর। আর খুব মজার গান শোভনের ‘হিমশিম’।লিরিক্সটা দারুন আকাশ চক্রবর্তীর। দীপ্তাংশু আচার্যর লিরিক্সও বেশ। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তর সুরারোপে গান গুলো রেশ থেকে যায়। এ ছবিতে যেমন আছে ঝগড়া কূট কাঁচালী তেমনি দেখানো হয়েছে সমাধানের পথ। শরীর চিকিৎসা আমরা করাই, মনের চিকিৎসা করানো মানে ভাবি পাগলের চিকিৎসা। কিন্তু সেটা যে নয় মনের ভালো থাকাটাই আসল আর সেটা কিভাবে সেটাই দেখিয়েছে এ ছবি। ছবিটা আরেকটু কমপ্যাক্ট হতে পারত কিন্তু নবাগতা পরিচালিকা কাহিনীকারদের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বেশ সুন্দর। সবথেকে যেটা বড় ব্যাপার মেগায় মুখ গুঁজে বসে থাকা মাসিমা পিসিমারা এ ছবি দেখতে সিনেমা হলে আসছেন ভালো থাকার পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে যার জন্য ছবিটা মাস্ট ওয়াচ।
ছবিটা মাল্টিপ্লেক্স সহ সিঙ্গেল স্ক্রীনেও মুক্তি পেয়েছে যেটা খুব দরকার। হল গুলোর জন্য প্লাস বয়স্ক মানুষরা সেই আগেকার মতো যেমন ছুটে এসছিলেন পারমিতার একদিন, বেলা শেষে দেখতে সেরকম ছুটে আসছেন। যারা আইনক্সে অভ্যস্ত নন পাড়ার হলটাই যাদের সিনেমা নস্ট্যালজিয়া। উইন্ডোজ প্রোডাকশান কে সাধুবাদ। উইন্ডোজ এই জিনিসটা বোঝে কোন বিষয়টা দর্শক কানেক্ট করতে পারবে। কিন্তু গতানুগতিক নয় ছবি গুলোতে থাকে সুন্দর বার্তা।

আসুন নাহ বাবা মা কে বৃদ্ধাশ্রমে না দিয়ে যদি এই ছবিটা দেখে আর একটু ভালো রাখা যায়। একসাথে থাকা যায়।শাশুড়ি বউমা যেন সুয়োকথা দুয়োকথার বান্ধবী হতে পারে। সংসার গুলো যাতে আরো নিটোল হয়। ছেলেরা যাতে বিয়ে করতে যাবার সময় বলতে পারে “মা তোমার জন্য দাসী নয় বন্ধু আনতে যাচ্ছি”।

লেখক : শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।