ফ্ল্যাট কিন্তু ‘ফ্ল্যাট’ নয় !

ফ্ল্যাট

হরের আনাচে-কানাচে বাঙালীর সেতুবন্ধনের নতুন বিষয়বস্তু – তিলোত্তমার এক সেতু। তা’বলে কি তাঁরা অন্য কোনও বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করছেন না ? স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট তা বলছে না কিন্তু। এই প্ল্যাটফর্মগুলি না থাকলে প্রবাসী বাঙালীরা বাংলার বিনোদন জগতের সুলুক সন্ধান পেতেনই বা কীভাবে বলুন দেখি ? পরিচালক অরিন্দম ভট্টাচার্যের সদ্যোজাত সন্তান ‘ফ্ল্যাট নম্বর 609‘-কে প্রেক্ষাগৃহে দেখার পর দর্শক কী বলছেন ? Gulgal.com-এর আতসকাচের নীচে ব্যাপারটা ঠিক এরকম —

ফুড ব্লগার ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ীর মতে — শুধুমাত্র আবহসঙ্গীত ও সম্পাদনা দিয়ে যে ভয় পাওয়ানো যায়, তা পরিচালক অনেকদিন পর দর্শককে দেখালেন। তনুশ্রীর অভিনয় দেখে চোখ ফেরানো দায়। এদিকে, পরিচালক অভিজ্ঞান মুখোপাধ্যায়ের ফে.বু. পাতা বলছে — হরর থ্রিলার জ্যঁরের এই ছবির প্রথমার্ধ ও আবহসঙ্গীত তাঁর উত্তেজনার পারদ ক্রমশ বাড়িয়ে তুলেছে। অনলাইন সিনে টিকিট বুকিংয়ের একটি অ্যাপে শুভশ্রী (গঙ্গোপাধ্যায় নন!) 609 নম্বর ফ্ল্যাটকে একশোয় একশো দিয়ে লিখেছেন — এটি একটি ‘মাস্ট ওয়াচ’ ফিল্ম। ওদিকে, দীপাঞ্জন দাস অবশ্য অনেকের মনেই কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছেন — “শেষে কিছু প্রশ্নের উত্তর অজানা থেকে গেল”। পরিচালকের উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছেন — “আপনি থাকছেন দাদা, ‘অন্তর্লীন’-এর পর আরও একটা মাস্টারপিস”। বেশ কয়েকটি স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট তো আবীরতনুশ্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

তবে, দর্শকদের একাংশ কিন্তু ছবির শেষদিকের একটি টুইস্ট রিভিল করতে নারাজ, বরং তা নিয়ে রসে-বশে মজিয়েছেন নিজেদের স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট। আর, এই টুইস্ট, এই রহস্যটিকে ভেদ করতেই আপনাকেও সপরিবারে হতে হবে হলমুখো। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে দিনে বা রাতে অরিন্দম ভট্টাচার্য পরিচালিত ‘ফ্ল্যাট নম্বর 609‘ দেখে গা ছমছমে অনুভূতি মেখে নিন পঞ্চ ইন্দ্রিয়ে।