রাজকুমার রাও কি ভবিষৎতের সুপারস্টার ?

স্টার রাজকুমার রাও

প্রতিনিয়ত পালটে যাচ্ছে বলিউড। কথাকথিত সুদর্শন, বিশাল চেহারাওয়ালা নায়কদের ভুলতে বসছে বলিউড। তথাকথিত সুপার স্টার রাও লার্জার দ্যান লাইফ সিনেমা করা ছেড়ে দিচ্ছেন। ঠিক সেই সময়েই রাজকুমার রাও এর বলিউড প্রবেশ।

রাজকুমার রাও১৯৮৪ সালে হরিয়ানায় জন্ম রাজকুমারের৷ ছোট থেকে সিনেমার প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। স্কুল পালিয়ে সিনেমা দেখা ছিল খুব স্বাভাবিক ব্যাপার তার কাছে। বাড়ি থেকে জানলেও সাধারণ মধ্যবিত্ত বাড়ির মত বকাঝকা শুনতে হয়নি তাকে। বরং সমর্থন পেয়েছেন মায়ের। এর সাথে ছিল ক্যারাটের নেশা। তাইকোয়ান্ডাতে পেয়েছেন স্বর্ণপদক।

রাজকুমার রাও লাভ সেক্স অউর ধোঁকাতিনি কোন স্টারের সন্তান নন। ছিল না কোন সুপারিশ। অভিনয়টা এতটাই তার মজ্জায় ঢুকে গিয়েছিল যে মাত্র ২০জনের মধ্যে সিলেক্ট হলেন এফটিটিয়াইতে। ২০০৮ এ লাভ সেক্স অউর ধোঁকা, রাগিনি এম এম এস থেকে বলিউডে আগমন। তারপর ক্যুইন, গ্যাংস অফ ওয়াসিপুর, তালাশ, আলিগড়ের মত সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন। কিন্তু যতই ছোট চরিত্র হোক না কেন অসাধারন অভিনয়ের ছাপ তিনি ফেলে যেতেন।

ভাল গল্প পেলে চরিত্র নিয়ে রাজকুমার বাচবিছার করেন না।ভাল গল্প পেলে চরিত্র নিয়ে তিনি বাচবিছার করেন না। এটাই হল রাজকুমারের বৈশিষ্ট্য। বরেলি কি বরফিতে নায়ক চরিত্রে না পেয়েও আয়ুষ্মানের থেকে দর্শকদের নজর নিজের দিকে করে দেন। এর জন্য ফিল্মফেয়ারও। এর আগে শাহিদ আজমিরের জীবন নিয়ে তৈরি শাহিদ সিনেমার জন্যও পেয়েছেন ফিল্মফেয়ার।

রাজকুমার রাওতাঁর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো নিজেকে সব জায়গাতেই মানিয়ে নেওয়া। তথাকথিত নায়কসুলভ ভাব নাহলেও ‘বহেন হোগি তেরি’, ‘শাদি মে জরুর আনা’র মত টিপিক্যাল বলিউড মুভিতেও সাবলীল আবার আলিগড় বা নিউটনের মত সিনেমাতেও যথেষ্ট সাবলীল। নিউটন তো আবার অস্কার নমিনেটেড সিনেনা। স্ত্রী সিনেমাতে তাঁর কমেডিও ব্যাপক হিট। এবছরের অন্যতম সেরা সিনেমা হল এই ফিল্মটি। ২০১৬ থেকে তাঁর স্বপ্নের সময় শুরু হয়েছে। এখন দেখা পরবর্তী প্রজন্ম তাকে সুপারস্টার বলে কিনা।

Written By – শোভন নস্কর