‘ভিঞ্চি কোড’ না ভুল ভ্রান্তির স্বর্গ ?

ভিঞ্চি কোড ভুল

২০০৪ সালে ড্যান ব্রাউনের ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড‘ বইটি প্রকাশ পায়। সাথে সাথে বেস্ট সেলার হয় এবং বিশ্বে ৪৪টি ভাষায় অনুদিত হয়। ২০০৬ তে টম হ্যাংক্স অভিনীত ভিঞ্চি কোডের সিনেমা গুলো বার হয়৷ কিন্তু সিনেমা বা বইতে রয়েছে অজস্র ভুল ভ্রান্তি। যা নিয়ে চার্চগুলিতেও হইচই পড়ে যায়। দেখা যাক সেগুলো কি

ভিঞ্চি কোড ভুল১. মেরি ম্যাগডালিন ছিলেন চার্চের প্রধান, কিন্তু পিটার ও অন্যান্যরা সে ক্ষমতা পরে নিয়ে নেন।
২. নাইট টেমপ্লারগণ ছিলেন এ গোপনীয়তার রক্ষক।
৩. স্যার আইজ্যাক নিউটন ছিলেন গোপনে একজন ‘দেবীপূজারী’।
৪. মোনা লিসা একটি উভলিঙ্গ পোর্ট্রেইট।
৫. প্যারিসের ল্যুভ মিউজিয়ামের পিরামিডে গ্লাস পেনের সংখ্যা ৬৬৬
৬. অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হতো দেবী ভেনাসের জন্য ৮ বছর পর পর।
৭. এ বইতে সবচেয়ে বড় যে উপসংহার টানা হয়েছে সেটি হলো, ‘মেরি ম্যাগডালিন’ নামের যীশুর একজন অনুসারী ছিলেন প্রকৃতপক্ষে যীশুর স্ত্রী।
৮. মেরি ম্যাগডালিনের মৃতদেহ শায়িত আছে প্যারিসের ল্যুভ মিউজিয়ামের নিচে।
৯. Gnostic Gospel, Gospel of Phillip এগুলো যীশুর মাতৃভাষা আরামায়িকে লিখা হয়েছিল
১০. যীশুর এই গোপন সত্যটা Priory of Sion নামের ১০৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি গোপন সংঘ সংরক্ষণ করে আসছে। ১৯৭৫ সালে খুঁজে পাওয়া নথি থেকে আমরা এর অস্তিত্ব জানতে পারি। স্যার আইজ্যাক নিউটন ও লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির মতো মহারথীরা ছিলেন এই সংঘের গ্র্যান্ড মাস্টার বা প্রধান।

এইরকমই অজস্র ভুলে ভরা আছে ভিঞ্চি কোড। যার সত্যতার দুরদুরান্তের কোন সম্পর্ক নেই।