সিনেমায় তাঁর সিগারেট খাওয়ার স্টাইল স্কুলে থাকতে শিখেছিলেন !

আজ ভারতের সুপারস্টার রজনীকান্তের জন্মদিন। ব্যক্তিগতজীবনে আদৌ কি সুপারস্টার? না আমাদের মতই রক্তমাংসের? চলুন জেনে নেওয়া যাক তাঁর কিছু অজানা কথা।

১. মাত্র নয় বছর বয়সে রজনীকান্তের মা মারা যান। তখন থেকেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নেন৷

২. বাসের কন্ডাকটর থেকে কুলি, কাঠমিস্ত্রি সব কাজই করেছিলেন তিনি।

৩. এক কন্ডাকটর বন্ধুর টাকায় মাদ্রাজ ফিল্ম ইন্সটিটিউটে ভর্তি হন। এখনো তার সাথে বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন রজনীকান্ত।

৪. রজনীকান্ত আসলে ছিলেন মহারাষ্ট্রের। আসল নাম শিবাজী গায়কোয়াড়। শিবাজী গণেশনের সাথে নাম মিলিয়ে যাবে বলে নিজের নাম রজনীকান্ত রাখেন।

৫. প্রথমদিকে ভিলেনের রোলেও অভিনয় করেছিলেন তিনি।

৬. ১৯৭৭ সালে তার প্রথম বলিউড ফিল্ম ছিল অন্ধাকানুন। অমিভাভ বচ্চনের সাথে।

৭. ১৯৮০ সালে হঠাৎ সিন্ধান্ত নেন যে তিনি আর অভিনয় করবেন না। কিন্তু তামিল ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি তাঁকে ফিরিয়ে আনে। এর ফলে সিনেমাও হিট হয়ে যায়।

৮. সিনেমায় তাঁর সিগারেট খাওয়ার স্টাইল স্কুলে থাকতে শিখেছিলেন।

৯. অতীত ভোলেননি তিনি তাই এখনো প্রচুর দান ধ্যান করেন আড়ালে। প্রোমোট করতে চাননি ।

১০. সাধারণ জীবন যাপনে তিনি অভ্যস্ত। মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে হিমালয় যান। সিনেমার বাইরে মেক আপও করেন না।

১১. রজনীকান্তই প্রথম অভিনেতা যিনি চক্ষুদানের ক্যাম্পেন করেন। চক্ষুদানের উপর কুসংস্কার ভাঙার চেষ্টা করেন।

১২. রজনীকান্ত হলেন জ্যাকি চ্যানের পর সেকেন্ড হায়েস্ট পেইড অ্যাক্টর।

১৩. কিন্তু সিনেমা ফ্লপ হলে প্রোডিউসারকে টাকা ফেরত দেন তিনি। ‘বাবা’ নামক সিনেমায় এমন করেছিলেন। আসলে তাঁর সিনেমা ফ্লপই হয় না।

১৪. বছর পাঁচ ছয় আগে রজনী ফ্যানেরা তাঁকে নিয়ে একটা ওয়েবসাইট বানায় যেটা নেট অফ করলেই চালানো যেত!

১৫. কাবালি প্রথম ভারতীয় সিনেমা যেখানে রিলিজের দিন রাজ্য সরকার ছুটি দেয়৷

১৬. তিনি ত্রিশ বছর জন্মদিন পালন করেন না। কারণ কোন এক জন্মদিনে তাঁর এক ফ্যান মারা যায়।

এবার বলুন তো এমন একজন মানুষকে না ভালোবেসে কি থাকা যায়?