‘S’ ফর সৃজিত মানেই ‘F’ ফর ফিল্মি বর্ণমালা !

শ্রীজিত মুখোপাধ্যায় সিনেমার বর্ণ মালা

সালটা দুহাজার এগারো। রিলিজ করল সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের প্রথম ছবি অটোগ্রাফসত্যজিত রায়ের নায়ক থেকে অনুপ্রাণিত অটোগ্রাফ দিয়েই শ্রীজিত বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি নেহাত আন্ডারডকের মতো বাঙলা চলচ্চিত্রের চওড়া পথে হাঁটবেন না। তারপর একে একে তৈরী হলো বাইশে শ্রাবণ, চতুষ্কোণ, জাতিস্মরের মতো বেশ কিছু তাক লাগানো ছবি। কয়েকদিন আগে এক মিডিয়া সংস্থাকে দেওয়া ইন্টারভিউতে যদিও নিজের ফিল্মি জার্নির কথা বলতে বলতে বেশ চমক লাগা একটা ইনফরমেশন দিলেন এই পরিচালক। তিনি নাকি প্রথম থেকেই ভেবেছিলেন ইংরাজি বর্ণ মালার প্রত্যেকটি বর্ণকে আদ্যক্ষর করে অন্তত একটি করে ছবি অবশ্যই তৈরী করবেন!

শ্রীজিত মুখোপাধ্যায় সিনেমাএমনকি বাদ যায় নি ‘X’,’Y’ বা ‘Z’-এর মতো খটোমটো বর্ণরাও। একে একে আমরা পেয়েছি ‘Y’ ফর ইয়েতি অভিযান বা ‘Z’ ফর জুলফিকারের মতো ছবি। আসতে চলেছে এস.ভি.এফ এর ব্যানারে ওয়েব সিরিজ ‘X’-ray! কয়েকদিনের মধ্যেই চলে এল সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন, আর বার্থডের আগে বেশ মজাদার এই ফ্যাক্ট মিডিয়ার রান্নাঘরে এক্সট্রা মশলা যোগায় বৈকি! মাল্টিস্টারার রাজকাহিনী, জুলফিকার হোক বা সালভাদোর দালি অনুপ্রাণিত নির্বাক, এই ডিরেক্টর সব সময়ই চেষ্টা করেন একটা ট্রেন্ড সেট করার। তা সে হতে পারে বাইশে শ্রাবণে স্ল্যাং-এর ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে হোক, বা রিসেন্ট রিলিজ এক যে ছিল রাজার প্লট তৈরীতে, নতুন কিছু প্রেজেন্ট করার চেষ্টাটা ধরা পড়ে সব সময়ই! ইংরেজি বর্ণমালার এমন ব্যবহার কী তেমনি কোনো ট্রেন্ডসেটার, নাকী নেহাতই ইচ্ছা বা অভ্যাসের ফলাফল? বিষয়টা যথেষ্ট অনিশ্চিত হলেও সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের থেকে এমন অনেক ট্রেন্ড সেটারের আশা দর্শক করেই যাবে।