জানেন কি পৃথিবীর সবথেকে বেশি দৈর্ঘের পাঁচটি ডকুমেন্টারি ?

আই ওয়েওয়ে ডকুমেন্টারি

৫. হাংগার (২০১৫)– ইতালির লুকা পেন্তাজ এই ডকুমেন্টারি-টি নির্মান করেন। পৃথিবী জুড়ে খাদ্য সমস্যা, খাদ্যের অপচয়, অপুষ্টি নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা ও রিসার্চ রয়েছে সিনেমাটিতে। এর দৈর্ঘ্য হল ১০০ ঘন্টা!হাংগার (২০১৫)

৪. নারী (২০১৭) – এই ডকুটি হাংগার থেকে ১৭ মিনিটের বড়। বানিয়েছেন তেলেগু পরিচালক চাই ডিংগারি। কৃষিকাজ, শ্রমীক, শিক্ষকতা থেকে পতিতাবৃত্তি নানা পেশার মেয়েদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় এতে। প্রায় ৪০ জন মেয়েকে এখানে দেখানো হয়। নারী (২০১৭)

৩. বেইজিং ২০০৩ (২০০৪) – বেইজিং শহরে ২৪০০ কিমির রাস্তা দেখানো মাত্র একটা লেন্স দিয়ে। ফলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত সবই মানুষের চোখের ন্যয় উপভোগ করা যায়। দৈর্ঘ্য ১৫০ ঘন্টা। বানিয়েছেন চীনা পরিচালক আই ওয়েওয়ের।আই ওয়েওয়ে

২. মর্ডান টাইমস ফরেভার (২০১১) – এই ডকুটি ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান স্টোরা এনসো নিয়ে। ২৪০ ঘন্টা অর্থাৎ দশ দিনের দীর্ঘ এই ডকুমেন্টারিতে দেখানো হয় স্টোরা এনসোর হেডকোয়ার্টার নিয়ে। ৫০০০ হাজার বছর ধরে ভবনটা ভেঙে যাওয়ার কাল্পনিক চিত্রায়ন করা হয়। তাই একদিন সমান প্রায় পাঁচশো বছর হয়েছে। মর্ডান টাইমস ফরেভার (২০১১)

১. লজিকটিকস (২০১২) – এক মাস পরে আমাদের পৃথিবী কেমন হবে? ম্যাগনাসন এবং এন্ডারসন ৮৫৭ ঘন্টা অর্থাৎ ৩৫দিনের লম্বা একটা দীর্ঘ ডকু বানান। পুরো বীপরীত ক্রমে সিনেমাটা হয়। এর মধ্যে দিয়ে আপনি ঘুরে আসতে পারেন সুইডেনের অলি গলি।

লজিকটিকস (২০১২)

দেখবেন নাকি কাজ বন্ধ করে এই ডকুমেন্টারি গুলো?