দুনিয়া কাঁপানো এই মানুষটির অনেক খুঁটিনাটি গল্পের আজ প্রথম পর্ব !

জেমস বন্ড ইয়ান ফ্লেমিং

স্কারে জেমস বন্ড ব্যাপক সাফল্য না পেলেও দুনিয়া জুড়ে বন্ডের ভক্তের শেষ নেই। সেই প্রায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে চলে আসছে বন্ড ক্রেজ। “আই অ্যাম দ্য বন্ড, জেমস বন্ড ” বললেই ভক্তদের লোমকূপ খাঁড়া হয়ে যায়। এই দুনিয়া কাঁপানো ব্রিটিশ স্পাইকে নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক। আজ প্রথম পর্বে আলোচনা করা যাক স্রষ্টা ইয়ান ফ্লেমিংকে নিয়ে।

জেমস বন্ড লেখক ইয়ান ফ্লেমিংদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্রিটেনের অন্যতম বড় অফিসার ছিলেন ইয়ান ফ্লেমিং। বিশ্বযুদ্ধের কয়েকটা জয়ে তার অবদানও ছিল। তিনি একদিন ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে বেড়াতে যান। নিজের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে স্পাই থ্রিলার বই লেখার ইচ্ছা ছিল। তখন নায়কের নাম ভাবতে থাকেন। একদিন হোটেলের নামের লিস্টে জেমস বন্ড নামটা পান এবং পছন্দ করে ফেলেন। কিন্তু জেমস বন্ড ছিলেন বিখ্যাত এক পক্ষীবিদ। জেমস বন্ড হিট হলে তাকে হেনস্তার শিকার হয়েছিল বারবার।

ক্যাসিনো রয়্যালফ্লেমিং কিন্তু শুরুতেই ধনী হয়ে যাননি। সিনেমায় তার গল্প ভীষণ কাজে দেয়নি। ভাগ্য ফেরে ১৯৫৪ সালে। যখন সিবিএস তাকে টিভিতে ক্যাসিনো রয়্যাল অবলম্বনে একটা সিরিজের পর্ব লিখতে বলে। প্রতি পর্বে দেওয়া হত এক হাজার ডলার। ‘ক্লাইমেক্স মিস্ট্রি থ্রিলার’ সিরিজের একটি পর্ব হিসেবে নির্মাণ করা হয় এটি। এখানে জেমস বন্ড চরিত্রে অভিনয় করেন ব্যারি নেলসনম আর খলনায়ক লা শিফরের চরিত্রে অভিনয় করেন পিটার লরে। ১৯৫৪ সালের ২১ অক্টোবর পর্বটি টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। সেবারই প্রথম বন্ড সিরিজের জন্য আর্থিকভাবে কিছুটা লাভবান হন ফ্লেমিং সাহেব।

আজ এই পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্বে অন্য কিছু নিয়ে আলোচনা করবো।