‘জাতিস্বর’এ আবার নিজের জাত চেনাচ্ছেন শমিক!

এইবারের এডিটর'স চয়েসে থাকছে একদম অন্য স্বাদের এই গান, শহরের অলিগলি দিয়ে বারবার ফিরে আসবে এই গান আর সঙ্গে নিজের জাত চেনাবেন শমিক রায় চৌধুরী।

প্রথমেই আমাদের সহৃদয় পাঠকদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী কারণ বেশ কিছুদিন যাবত এডিটর’স চয়েস অনিবার্য কারণবশত বন্ধ ছিল, আপনাদের একান্ত আবেদনে আবার ফিরে এলো এডিটর’স চয়েস এবং আজকে থাকছে একটু অন্যরকমের চমক! যে গানটা নিয়ে আজ কথা বলবো সেই গানটা লেখা হয় আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে, তখনই সুর দেওয়া আর গান বানানোর নেশায় বুঁদ হয়ে ছিল এই দুই কলেজ পড়ুয়া, এখন তাঁরা অবশ্য নিজেদের কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত, তাঁদের সাম্প্রতিক অনেক কাজ মাঝে মধ্যেই হয়ে ওঠে আলোচনার বিষয়, এই দুই প্রতিভা হলেন শমিক রায় চৌধুরীকুনাল বিশ্বাস। কলেজে পড়াশুনো করার সময় গিটারের কর্ডগুলো নিয়ে বেজায় কৌতূহলী ছিলেন শমিক আর সেই কৌতূহল মেটাতেন তাঁর মিউজিশিয়ান বন্ধু কুনাল, এভাবেই আস্তে আস্তে নিজের লেখা ‘জাতিস্বর’এও সুর দিয়ে ফেললেন শমিক আর গানটা গেয়েও ফেলেছেন নিজে, কিন্তু সেইসময়ের এই অপ্রকাশিত গান আজকে ফিরে এলো একদম নবকলবরে! এই গান প্রসঙ্গে তাঁর কলিগ তথা বন্ধু কুনালের সঙ্গে আমাদের কথা হলে জানান, “এটা একটা নস্টালজিয়া! শমিককে আমি গান করতে দেখেছি, শুনেছি অনেকদিন আগে থেকেই কিন্তু যারা প্রথমবার শুনলেন তাঁরা যে চমকে যাবেন তা নিশ্চিত! তবে অন্তরাটা আগে অন্যরকম ছিল সেটা এই গানে আমি আর শমিক মিলে একটু চেঞ্জ করেছি”। এই গানটি এতদিন পর ফিরে আসার পেছনে আবার রয়েছে একটি শর্ট ফিল্মের ভূমিকা, সিনেমার নাম “শেষ প্রহর”, পরিচালক সমৃদ্ধ গাঙ্গুলি, যিনি তাঁর সিনেমার জন্য ব্যবহার করেছেন এই অসাধারন গানটির। সিনেমাতে এই গান দিয়ে শেষ হলেও গানটি এবার পেল নতুন জন্ম আরও অনেকদিন শ্রোতাদের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য। নিজের জীবনে লেখা প্রথম গান ‘জাতিস্বর’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বেশ নস্টালজিক হয়ে পড়েন পরিচালক শমিক, “আমি গিটার কিন্তু কারুর কাছে শিখি নি, বন্ধুরা বাজাতো ওদের দেখে দেখেই নিজের চেষ্টায় কর্ডগুলো আয়ত্ব করি আর সেই শেখা নিয়েই গানটা কম্পোজ করে ফেলি, অনেকদিন ধরে গানটা আমার কলারটিউনে ছিল!” তাই এইবারের এডিটর’স চয়েসে থাকছে একদম অন্য স্বাদের এই গান, শহরের অলিগলি দিয়ে বারবার ফিরে আসবে এই গান আর সঙ্গে নিজের জাত চেনাবেন শমিক রায় চৌধুরী।

দেখুন ভিডিও :