জীবনের অন্য ছবি, অন্য রকম দহন !

দহন

অনেক দিন ধরে অনেক কানাঘুষোর পর মাচ টকড্ অ্যাবাউট জ্যাজ প্রোডাকশনের ছবি দহনের ট্রেলার রিলিজ হয়ে গেল। ছবির হল রিলিজ তিরিশে নভেম্বর! গল্প, অভিনয়, ক্যামেরা, সাসপেন্স এই সব কিছুর কথাতে আসছি পরে। ট্রেলারে শ্রেষ্ঠ পাওনা ছিল আনুশে আনাদিলের কন্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত ‘খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে….’ আর যেন এই গানের প্রত্যেকটি লাইনকে ঘিরেই গল্পের মোড় ঘুরে যায় বারবার! অন্তত ট্রেলার তো সেই কথাই বলে। একটা বোম্বব্লাস্ট ঘিরে ছবি দহন। ডিরেক্টর রেহান রফি। প্রধান চরিত্রে সিয়াম আহমেদ, পুজা চেড়ি, রিপা রাজ আর মোমো। বাঙলাদেশের বেশ নাম করা সব উঠতি অভিনেতাদের নিয়ে রেহানের একটা এক্সপিরিমেন্টাল কাজ হয়ে যেতে পারে দহন। নোংরা রাজনীতি আর ক্ষমতার লড়াই-এর তলাতে পিষে যাওয়া মানুষ, মায়া-মমতা, আর অনেকখানি প্রেম দিয়ে সাজানো দহনের ট্রেলার জীবনের অনেকটা কাছাকাছি। সেলিমের ভাড়াটে গুন্ডার চরিত্র যে অনেক কলঙ্কের আড়ালে অনেকটা বেশী মানুষ, তারও ভালোবাসার, ভালোথাকার অধিকার আছে, এই ট্রেলার বার বার করে বলে দেয় সেই কথা। কাঁচার পাখির সাথে যে বনের পাখির মিলন হয় না, কখনোই সম্ভব নয়, একটা বোম্বব্লাস্টে আবারো প্রমাণ হয়ে যায় এই ছবিতে। তখন কিন্তু ক্রিমিনাল নায়ক একজন ভুক্তভোগীর গল্প শোনাবে, এটুকু বলতে পারি। চোখে জল নিয়ে হলে বসে আপনাকে ভাবাবে, কী হবে এরপর? মিডিয়ার তীব্র চিৎকার, ক্ষমতা বদলের লড়াই, এই সব কিছুকে ছাড়িয়ে কী জিতে যাবে মানুষ, নাকী ক্রাইমের ছাপ নিয়ে সময় অপেক্ষা করবে আরো এমন ক্রিমিনাল তৈরীর? দহনের ট্রেলার এই বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে ছেড়ে দেবে আপনাকে। এর পরের উত্তরটা মিলবে সিনেমা হলে, তিরিশে নভেম্বর। অপেক্ষা রইল।